
সদকাতুল ফিতর আল্লাহ তাআ’লা-র পক্ষ থেকে মুসলমানের জন্য বিশেষ এক তুহফা।
আমাদের রোজাগুলো যেন বরবাদ না হয়, কবুল যেন হয়। অর্থহীন, অশালীন কথা, ঝগড়াঝাঁটি রোজাকে ত্রুটির যুক্ত করে ফেলে, সে ভুল ত্রুটি থেকে ক্ষমা পাওয়ার সুন্দর পদ্ধতি হল সাদাকাতুল ফিতর।
তাই প্রতি বছর বিজ্ঞ ওলামায়ে কেরামগণ আমাদের সুবিধার জন্য সদকাতুল ফিতর বাজার দর অনুযায়ী নির্ধারণ করে দেন। খুশি মনে এই আমলটি পালন করা, এটি গরিবের হক। ঈদের নামাজের পূর্বে এই আমল শেষ করতে বলা হয়েছে। ঈদের নামাজের পর আর এই আমল বাকী থাকে না অর্থ্যাৎ এরপর আদায় করলে আদায় হবে না। সুন্দর ও গুরুত্বপূর্ণ এই আমল প্রাপ্তবয়স্ক সকলের আদায় করা ওয়াজিব। ঘরে যে ছোট বাবু থাকবে তাদের পক্ষে বড়রা আদায় করবে।
★নেসাবের মালিক নাবালেগ ছেলেমেয়ের ওপর সদকাতুল ফিতর তার সম্পদ থেকে আদায় করাই নিয়ম। তাই অভিভাবক বাচ্চার সম্পদ থেকে ফিতরা আদায় করে দেবেন। তবে পিতা ইচ্ছা করলে নিজ সম্পদ থেকেও তা আদায় করে দিতে পারেন।
শরিয়ত মতে, সদকাতুল ফিতর আদায় করা ওয়াজিব। আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) বলেন, ‘রাসুল (সা.) সদকাতুল ফিতর অপরিহার্য করেছেন। এর পরিমাণ হলো- এক সা জব বা এক সা খেজুর। ছোট-বড়, স্বাধীন-পরাধীন সবার ওপরই এটি ওয়াজিব।
সদকাতুল ফিতরের উদ্দেশ্য শুধু ‘গরিবদের ঈদের খুশিতে শরিক করা’ বলে যে ধারণা প্রচলিত রয়েছে, তা যথার্থ নয়। কেননা হাদিস শরিফে সদকাতুল ফিতরকে কাফফারাতুন লিসসাওম, অর্থাৎ রোজা অবস্থায় অবচেতনভাবে যে ত্রুটিবিচ্যুতি হয়ে যায়, তার কাফফারা বা ক্ষতিপূরণ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
সামর্থ্য অনুযায়ী সাদকাতুল ফিতির আদায় করা ওয়াজিব।
সর্বনিম্ন ১১০ টাকা।
সর্বোচ্চ ২ হাজার ৮০৫ টাকা।
উদাহর স্বরুপ আমার পরিবারের আমরা চার জন্য সদস্য তাহলে যদি ১১০ করে আদায় করি তাহলে ১১০×৪=৪৪০/- যার ইনকাম বেশি সে জেন বেশি দেয় তাহলে গরীব উপকৃত হবে।
আসলে এটি একটি ইবাদত তাই আমাদের উচিত আনন্দের সাথে এই ইবাদতে শামীল হওয়া।
আল্লাহ তাআ’লা আমাদের সকলকে আমল করার তৌফিক দান করুক। আমিন