1. admin@anantabangla.com : admin :
শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:০৫ পূর্বাহ্ন
অনন্ত বাংলা শিরোনাম :
একাত্তরের চেতনা এবং খাঁটি দেশপ্রেমের সংজ্ঞা চাটখিলে সম্পত্তি দখলের চেষ্টা, ভাংচুর, লুটপাট ও গাছ কাটার অভিযোগ ভান্ডারিয়ায় রং মিশিয়ে মাছ বিক্রি, ভিডিও করায় সাংবাদিককে হেনস্তার অভিযোগ চাটখিলে শত বছরের পুরনো ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজ দিয়ে চলাচল, ভেঙে পড়ার শঙ্কা! মারা গেছেন এনসিপি নেত্রী রাফিয়া সুলতানা হজ ব্যবস্থাপনার সাথে সরকারের ভাবমূর্তির প্রশ্ন জড়িত: ধর্মমন্ত্রী সেবার মান উন্নয়নে চাটখিল স্কয়ার হসপিটালে আধুনিক অটোমেশন ল্যাব: রোগীদের স্বস্তি চাটখিল সেন্ট্রাল হাসপাতালে ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় মা ও নবজাতকের জীবন সংকটাপন্ন অনিয়ম ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ: চাটখিলে দুই হাসপাতালকে অর্থদণ্ড চাটখিল সাংবাদিক ফোরামের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

ই’তিকাফ কেন করবেন.. মাওলানা আসআ’দ বিন হাসনাত

দৈনিক অনন্ত বাংলা ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৫
  • ১৫০ বার পঠিত

হযরত আদম আলাইহিস সালাতু ওয়াসসালাম লম্বা সময় দুনিয়াতে বেঁচে ছিলেন। তাঁর উম্মতের হায়াত ছিলো বেশি। ক্রমান্বয়ে সকল নবীদের হায়াত বেশি ছিল এবং তাঁদের সকল উম্মতেরও হায়াত বেশি ছিল। কথা হল, যদি কেউ হাজার বছর বাঁচে তাহলে সে হাজার বছর ইবাদতের সুযোগ পেল। আর উম্মতি মুহাম্মাদি (অর্থ্যাৎ মুহাম্মদুর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উম্মত) হায়াত পাবে কম তাহলে তাঁরা সময় পেল কম ইবাদত ও হবে কম। এমন প্রশ্ন জাগাটাই স্বাভাবিক? সাহাবায়ে কেরাম এমন একটি সু-সংবাদের আশায় ছিলেন যেন অল্প হায়াতেও বরকত হয়।আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তাঁর প্রিয় হাবিব, মাহবুব, সাইয়েদুল কাওনাইন, সাইয়েদুল মুস্তফা, সাইয়েদুল মুজতাবা, রাসুল আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে সুসংবাদ দিলেন এমন এক রজনীর যা হাজার মাসের চেয়ে উত্তম। কি বুঝেন? এক রাতে ইবাদত করবেন আর সাওয়াব পাবেন হাজার মাস ইবাদত করার। মানুষ সংখ্যায় বিশ্বাসী এজন্য আল্লাহ তাআ’লা হাজার মাস বলেছেন। বে-হিসাব সাওয়াব দিবেন কে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন। তবে কোন মু’মিন মুসলমান যদি ঐ রাত পেয়ে যায় আর যথাযথ গুরুত্বসহ ইবাদত করতে পারে তাহলে তাঁর নাজাতের জন্য এই রজনী-ই যথেষ্ট।
ভেবে দেখুন কেউ যদি ১০ বছর যাবত ঐ রজনী পায় এবং ইবাদত করতে পারে তাহলে সে অন্য নবীর উম্মতের চেয়ে অনেক বেশি ইবাদত করছে বলে বিবেচিত হবে।
কত্তো খুশির সংবাদ, শেষ নবীর উম্মত ও কত দামী বুঝলেন। তবে এমন রজনী তারাই পাবে যারা ই’তিকাফ অবস্থায়। মানে তাদের জন্য সহজ কারন তারা দুনিয়া বিমুখ। পেয়ারা হাবিব রাসুল আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমজানের শেষ দশকে ই’তেকাফ করতেন। তালাশ করতেন “লায়লাতুল ক্বদর” আমরাও তাঁর বাতলানো পথে চলবো। তাহলে মিলবে খোশ রজনী। আমাদের সমাজে প্রচলিত ২৭ রমজান “ক্বদরের রাত। যদি এই রাত নির্দিষ্ট হতো তাহলে পেয়ারা হাবিব রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দশ দিন ই’তেকাফ করতেন না। বেজোড় রাত হবে এমনটা বলছেন সকলে। কিন্তু নির্দিষ্ট কেউ বলেন নি। তাই আমরা শেষ দশকের প্রতিটি রাত ইবাদতে কাটানোর চেষ্টা করবো। ইনশাআল্লাহ
আল্লাহ তাআ’লা আমাদের সকলকে ই’তেকাফ করার তৌফিক দান করুক আমিন।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত ©২০২৪ দৈনিক অনন্ত বাংলা
Theme Customized BY SHAKIL IT PARK