
২০১৪ সাথে জুবায়রুল হাসান রাহ. এর ইন্তেকালের পরে দিল্লি মারকাজে মাশওয়ারার মাধ্যমে মাওলানা সাদ সাহেবকে যখন আমির বানানো হয় তখন তার মাতাহাতে ৯ সদস্য বিশিষ্ট একটি শুরা কমিটিও গঠন করা হয়। এর সিদ্ধান্তের সাথে আহমদ লাটসহ অনেকের আমির হওয়ার স্বপ্ন ধূলিস্যাৎ হয়ে যায়। এর পরে আহমদ লাট বিশ্বের বিভিন্ন দেশে গুজরাট থেকে গোপনে অনেক জামাত পাঠান। এরি ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশে আহমদ লাটের ভাগনা-ভাতিজা পরিচয়ে, এদের নেতৃত্বে কয়েকটি জামাত আসে।
সিলেট কদলতলিতে একটি জামাতের সাথে আমার বাকবিতন্ডায় পর্যায়ে গেলে আমাকে কয়েকজন সালওয়ালা আলিম আমাদের মেহমান বলে থামিয়ে দেন। পরে এই জামাত আমার গ্রামের মাদ্রাসায়ও যায়। এদের আলোচনা ছিলো অশ্লীলতায় ভরপুর। তাবলিগের কোনো উসলি আলোচনার তোয়াক্কা না করে। মুজাফফর নগরের এক মন্ত্রির পিএস যে মাওলানা সাদ সাহেবের কাছে ধর্মান্তরিত হলে থাকে নিয়ে যাতা অশ্লিল বয়ান দেয়। সারা বয়ান জোরেই ছিলো মাওলানা সাদ সাহেবের সমালোচনা। মাওলানা সাদ সাহেব নাকি দিল্লির মারকাজে স্বেচ্ছাচারিতা চালাচ্ছেন উনি নাকি নিজেকে নিজে আমির ঘোষণা দিচ্ছেন। নিজে মুরব্বিদের উপর হুকুম চালাচ্ছেন। হজরতজী এনামুল হাসার রাহ. এর রেখে যাওয়া উসুল ভেঙ্গে উনি নিজের হুকুম কায়েম করতেছেন। এদের কথা থেকে ও পরে জানতে পারি মাওলানা সাদ সাহেব ২০১৪ সালের পরে কি এমন সিদ্ধান্ত নিলেন যার জন্য তার বিরুদ্ধে বিশ্বকে গুজরাটের দস্যু আহমদ লাটের দোসররা তাঁর বিরুদ্ধে উস্কে দিয়ে ছিলো। কারণ,
১) মারকাজের জিম্মাদার সাথীরা ব্যবসা করেন:
নিজামুদ্দিন বাংলাওয়ালি মসজিদের আশেপাশে মারকাজের জিম্মাদার সাথীরা ব্যবসা করেন। সাধারণ সাথীরা বয়ান বা আমলে না জোরে দোকানপাটে বেশি সময় ব্যয় করেন। যার ফলে সাদ সাহেব সব দোকানপাট বন্ধ করে দেন। দেখা যায় সকল ব্যবসায়ী কর্পোরেট গুজরাটিদের। এতে লাট সাহেবদের ব্যবসায় আঘাত পরে। মারকাজে ফ্রি থাকা খাওয়া আর ব্যবসা করা গুজরাটিদের আরামের জিন্দেগী এক ঘোষণায় শেষ হয়ে যায়।
২) মারকাজে কোনো মুকিম সাথী বছরে চার মাসের বেশি অবস্থান করতে পারবেন না।
সাদ সাহেব নিয়ম বানিয়ে দেন, চার মাস নিজের মহল্লার কাজ করবেন, চার মাস জামাত নিয়ে সফরে থাকবেন ও চার মাস মারকাজের নজমে কাটাবেন। এতে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় গুজরাটের লাট সাহেবরা। তারা পুরা মারকাজকে তাদের নিজের থাকা খাওয়ার আয়েশি বাসস্থান বানিয়ে রেখে ছিলো।
৩) মারকাজে ঘোলাটে পরিস্থিতি তৈরি:
মাওলানা এনামুল হাসান রাহ. এর ওয়াফাতের সময় মারকাজে একটি ঘোলাটে পরিস্থিতি তৈরি হলে। গুজরাটিরা মারকাজের খানার নজম তাদের দখলে নিয়ে নেয়। মাওলানা সাদ সাহেব আমির হওয়ার পরে উনি ঘোষণা দেন এখন থেকে খানা দেয়া হবে সুন্নাত হিসাবে জোহরের নামাজের আগে ও এশার নামাজের আগে। খানার নজমের জিম্মাদারকে মাশোয়ারায় দ্বায়িত্ব দিতে চাইলে তারা সরাসরি না করে দেয়, তারা পারবে না। মাশোয়ারায় অন্যদের মতামত নিলে সকল রাজ্য মাওলানা সাদ সাহেবের কথায় সম্মত হয় পারবে বলে। তখন মাওলানা সাদ সাহেব খানার জিম্মাদারি বিভিন্ন প্রদেশের মধ্যে ভাগ করে দিলে, গুজরাটিরা বলে, আপনে কে? খানার নজম ভাগ করার? আমাদের মাওলানা এনামুল হাসান রাহ. আমাদের এই দায়িত্ব দিয়েছেন। তখন সাদ সাহেব বলেন, “আমি তোমাদের আমির। আমির না মানলে জাহান্নামে যেতে হবে। ” এর কথাকে রঙ লাগিয়ে বাংলাদেশের জাহেলরা বলে সাদ সাহেব নাকি অহংকার করে নিজে আমির দাবি করেন। প্রকাশিত অডিওতে স্পষ্ট এই বিষয়টি শুনা যায়।
৪) খাবারের নজম পরিবর্তন:
খাবারের নজম পরিবর্তন করার পরে খাবারের বৈষম্য দূরীকরণে সাদ সাহেব (মুকিম) যারা মারকাজের বিভিন্ন নজমে দ্বায়িত্বে থাকেন বা কোনো কাম ছাড়া মারকাজকে তাদের ঘরবাড়ি বানিয়ে দেন তাদের জন্য স্পেশাল খাবারে ব্যবস্থা করা হতো। আবার তারা সকলের সাথে ইজতামায়ি খাবারের দস্তারখানে বসতেন না। এই সকল নিয়ম ভেঙ্গে সকলকে এক দস্তারখানে নিয়ে আসেন। এতে আবারও গুজরাটিদের মাথায় হাত পড়ে।
৫) মুওরব্বিরা নামাজের বড় জামাতে শরিক হওয়া:
নায়ুজুবিল্লাহ এই কারণ বলতেও লজ্জা করতেছে। যেখানে তাবলীগ পৃথিবীর মানুষকে একি খাবারের দস্তারখানে নিয়ে এসেছে। একি ভাবে নামাজের জন্য বড় জামায়াতের তাগিদ দিয়ে যাচ্ছে। মারকাজের অনেক মুওরব্বিরা নামাজের বড় জামাতে শরিক না হয়ে নিজেদের রুমে দুই-তিন জন মিলে জামাত আদায় করেন। জামানার মুজাদ্দিদ মাওলানা সাদ সাহেব নিজামুদ্দিন মারকাজের ভেতর সকল ক্ষুদ্র জামাত নিষিদ্ধ করেন। এতেও মুরব্বিরা তেলেবেগুনে জ্বলে উঠেন।
৬) ইজতেমা ও জোড়ের সিন্ডিকেট:
মারকাজের খরচে নিজেদের বলয়ের ভেতরের লোকদের নিয়ে বাংলাদেশের জোরসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ইজতেমাতে গেলে ভালো হাদিয়া পাওয়া যায় তা নিজেদের নামে করে রেখেছেন। এর মধ্য দুজন অন্যতম। দুই জনই গুজরাটি একজন আহমদ লাট ও অন্যজন ইব্রাহিম দেওলা। মাওলানা সাদ সাহেব এই তরতিব ভেঙ্গে নিয়ম করেন শুধু মাত্র শুরা হজরতদের খরচ মারকাজ থেকে দেয়া হবে। অন্যদের খরচ নিজেরা বহন করবেন।
৭) তরুণ ও মধ্য বয়সী আলেমদের জন্য সুযোগ করে দেয়া:
সাদ সাহেব বিশ্বের ভিন্ন ইজতেমায় তরুণ ও মধ্য বয়সী মেধাবী আলেমদের বিভিন্ন আমল পরিচালনার জন্য মাশোয়ারা সাপেক্ষে তাদের জামাতের সাথে দেন। এতে অনেক পুরাতন সাথী আমল থেকে মহরুম হন। তাদের মধ্যে যারা মুখলিস তারা ছাড়া যারা বয়ান করে করে নিজেদের রুহকে গণ্ডারের চামড়ার মত পুরু করেছেন তারা বিদ্রোহী হয়ে উঠেন। অভিযোগ আনা শুরু করেন সাদ সাহেবের উপর।
৮) কোরআন-হাদিসে ও নসের উপর গুরুত্ব দিতে গিয়ে:
মাওলানা সাদ সাহেব তাবলিগের কাজকে আরো প্রানবন্ত করতে, কোরআন-হাদিসে ও নসের উপর গুরুত্ব দিতে গিয়ে তিনি কিছু সিলেবাস করে দেন। যা নিজামুদ্দিনের সকল জিম্মাদার সাথীদের পড়তে বাধ্য করেন। উনি বলেন, এতে উম্মাহের সামনে দালিলিক আলোচনা হবে। এর সাথে সাদ সাহেব সাহাবায়ে কেরাম রাযি.দের জিন্দেগীর বাহিরে গিয়ে বলা কিচ্ছাকাহিনী বলাকে নিরুৎসাহিত করেন। বলেন, এইগুলো না বলাই ভালো। এতে অভিযোগ উঠে উনি নাকি এখন উনার উস্তাদদের শেখাচ্ছেন।
৯) মুন্তাখাব হাদিস কিতাবকে তালিমে যুক্ত করা:
দাওয়াত ও তাবলিগের কাজে বিশ্বের সকল দেশ, মাজহাব ও বিভিন্ন ফেরকা এসে যুক্ত হলে, অনেকেই ফাজায়েলে আমলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে থাকেন। অনেকে দেশের সাথীরা রিয়াদুস সালেহিনকে তালিমে নিয়ে আসেন। এই সমস্ত সমস্যার কথা মাথায় রেখে ফাজায়েলে আমলের সাথে মুন্তাখাব হাদিসকে তালিমে অন্তর্ভূক্তি করায় অনেকেই তার সমালোচনায় লেগে যান। গুজরাটিরা এই বিষয়কে নিয়ে ঘোলাজলে মাছ শিকার করা শুরু করে।
এছাড়াও আরো ছোট বড় অনেক কারণ আছে যার জন্য মাওলানা সাদ সাহেবের বিরুদ্ধে বিশ্বকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করা হয়। তার বিরুদ্ধে মোদি সরকারকেও উসকে দেয়া হয় তারা নানান ভাবে তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করে। দ্ধএমনকি তারা রোড এক্সিডেন্টের হত্যা মামলায় ফাঁসাতে গিয়ে ব্যর্থ হয়। তাবলিগের মেহনত ভারতে নিষি করা হয়। তাবলিগের নামে ভারতে কোনো ভিসা দেয়া হবে না। মর্ম আইন হয়। তার নামে রাষ্ট্রদোহী বক্তব্যের অভিযোগ আনা হয়। পরে আদালতের মাধ্যমে তার অডিও এনাইলাসিস করে, এনালাইসিস টিম রিপোর্ট দেয় তার ১৭টি বক্তব্যের ক্লিপকে একত্র করে একটি ক্লিপ তৈরি করা হয়েছে।
১০। ইতোমধ্যে আসে করোনাভাইরাস
করোনাভাইরাস ছড়ানোর অভিযোগে তাকে গৃহ বন্দি করা হয়। ভারতের সর্বত্র চলমান জামাতকে গ্রেফতার করে জেলে ঢুকিয়ে দেয়া হয়। কিছু জামাতকে নির্দিষ্ট ভবনে বন্দি করা হয়। ইন্ডিয়ার সকল মুসলমান একত্রিত হয়ে মাওলানা সাদ সাহেবের পক্ষ নেন। সাথে ইন্ডিয়ার সুশীল সমাজ ও সিং সমাজও প্রতিবাদ জানায়। আমি আমাদের দেশের জাহেলদেরকে তখনো তাঁর বিরুদ্ধে কথা বলতে দেখেছি। সাদ সাহেবের আলোচনা ইন্ডিয়ান গবর্মেন্ট এর হাতে এই এজেন্টরাই তুলে দিয়েছিলো। সাঈদ আহমদ খান সাহেব রাহ. এই পিশাচদের আগেই চিনেছিলেন। তাই সরাসরি এদের নাম উল্লেখ করে তার চিঠিতে বলেছেন, তোমরা বিক্রি হহইয়ো না। তারা বিক্রি হয়েছে মারকাজ ছেড়েছে। এই চিঠির কথা সকল সাথীদের জানা। যেকোনো সাথীর কাছে খুঁজ নিলে এই চিঠিগুলো পাওয়া যাবে। আমার দেশের এদের কি এই সব চোখে পড়ে না। আমি আজকের এই সকল কথাগুলো সাঈদ খান সাহেব দা.বা. এর অনুকরণ করলাম। একটু কড়াকড়ি ভাবে বললাম।
মনে মনে নিজেকে আমিরের আসনে চিন্তা করা আহমদ লাট ও ইব্রাহিম দেওলা প্রথম আঘাত পান মাওলানা সাদ সাহেব ২০১৪তে নিজামুদ্দিন মারকাজের জিম্মাদারদের মাশোয়ারায় আমির ফরসালা হয়ে গেলে। গুজরাটের প্রার্থী বেশি হওয়ায় মাওলানা সাদ সাহেব এর পক্ষে বেশি মতামত আসে। নিজের মধ্যে ঐক্য না থাকায়, প্রার্থীদের মধ্যে সাথীদের রায় ভাগ হয়ে যাওয়ায় মাওলানা সাদ সাহেবের আমির হিসাবে ফয়সালা হয়। এই ফয়সালার চিঠিটা পর্যন্ত বাংলাদেশের নোয়াখালী গংরা লুকিয়ে রাখার চেষ্টা করে। যেইদিন বাংলাদেশের ইজতেমায় মাওলানা সাদ সাহেবকে আমির বানানোর পরামর্শ হয় সেই দিন আমাদের নোয়াখালীর গংদের কারো পেঠে ব্যথা আমার কারো মাথায় ব্যথা বলে নিজেদের গুটিয়ে রাখে।
এইদিকে দিল্লির মারকাজে মাওলানা সাদ সাহেব যখন একের পরে এক সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। যা তাদের বিরুদ্ধে যাচ্ছে দেখে সকল গুজরাটিরা এক হয়ে যান। এমন কি মাওলানা সাদ সাহেবের উপর নিজামুদ্দিন মারকাজের কয়েকবার হত্যার চেষ্টা করেও তারা ব্যর্থ হয়। এমনকি উনার ইমামতির অবস্থায় হত্যার চেষ্টাও করে। মাওলানা সাদ সাহেবের উপর একের পর এক মিথ্যা অভিযোগ ও উনার বক্তব্য কাটপিস করে মানুষের মধ্যে উস্কে দেয়। তারা বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের উলামাদের বেশি টার্গেট করে। পাকিস্তানের সচেতন উলামায়ে কেরাম তাদের বিছানো ফাঁদে পা দেন নি। মুফতি তকি উসমানী, রফি উসমা, মুফতি নাঈম, মুফতি যারওয়ালী খান, মুফতি আদিল খান রাহ. সহ সকল প্রজ্ঞাবান আলেমরা মাওলানা সাদ সাহেবের পক্ষে অবস্থান নেন। অন্য উলামাদের মধ্যে যারা কিছু কথা বলে ফেলে ছিলেন তারা নীরব হয়ে যান। তার মধ্যে তারেক জালিম, ও তারেক মাশউদ দা.বা. ছিলেন। ভারতের উলামায়ে কেরামরা সরাসরি মাওলানা সাদ সাহেবের পক্ষ অবস্থান নিলেন। শুরুতে কিছুটা দ্বিধাদন্দে থাকলেও পরে সবাই তার উপর মুতমাইন হয়ে যান। মাওলানা আরশাদ মাদানি রাহ. এক বয়ানে এই কথা স্বীকার করে বলেন, আমাদের কাছে মাওলানা সাদ সাহেবের বিষয়ে কিছু লেখিত অভিযোগ আসে। আমরা এই মর্মে তার কোনো অডিও বা অন্য কোনো প্রমাণ পাইনি।
এক বক্তব্যে এই অভিযোগ বাংলাদেশের কোনো একটি প্রতিষ্ঠান থেকে করার ইঙ্গিত দেন। নিজামউদ্দীন মারকাজ এখন পুঁজিবাদী, দখলদার গুজরাটিদের দখল থেকে মুক্ত হয়েছে। এবার বাংলাদেশের মারকাজ নোয়াখালী মুক্ত হলেই বাংলাদেশের সমস্যার ৫০% সমাধান হয়ে যাবে। আমি বেশ কয়েকবার কাকরাইল মসজিদে উলামায়ে কেরামদের নজম ছিলাম। ঘটনাচক্রে ২০১৬-২০১৭ এর ভয়াবহতা দেখেছি। আমি সরাসরি কাকরাইল মসজিদের শুরাপন্থীদের ষড়যন্ত্র দেখে আমি নিজেকে শুরাই নেজামপন্থীদের থেকে মাওলানা সাদ সাহেবের অনুসারীদের একজন হয়েছি। বলে রাখি আমি কিন্তু প্রথমে তাদের সাথে ছিলাম। আমি একজন আলেম ও সালের সাথী হিসাবে তাদের ভয়াবহ রুপ ও মিথ্যাচার দেখে হকের পথে ফিরে এসেছি। আমি মাওলানা সাদ সাহেব দা.বা. এর প্রত্যেকটি বক্তব্য যাচাই-বাছাই করেছি। আমি কিন্তু সাধারণ মানুষের মত হুজুগি নয়। আমি ইউনিভার্সিটিতে লেখাপড়া করেছি।
আমার প্রত্যেকটা এসাইনমেন্ট পেপার ১০০/৫০ পৃষ্ঠার গবেষণাপত্র। একেকটি গ্রন্থ হবে। আমি বাংলাদেশের জাতীয় ও স্থানীয় অনেক পত্রিকায় কাজ করেছি। আলিয়া মাদ্রাসা, কওমী মাদ্রাসা ও ভিন্ন ইউনিভার্সিটিতে পড়া লোক। আইন নিয়ে লেখাপড়া করেছি। মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করেছি। বেশ কয়েকটি গ্রন্থ লিখে রেখেছি। প্রকাশ করি নাই। ইনশাআল্লাহ কিছুদিনের মধ্যে লেখাগুলো প্রকাশ পাবে। ২০১১ থেকে ২০১৫ সাল নাস্তিকদের ওয়ানটেড তালিকায় ছিলাম। ছদ্মনামে লেখালেখি করতাম। ডিবি ও ডিজেএফআই এক দ্বারা লেখালেখির কারণে বারবার হ্যারেস হয়েছি। এই কথাগুলো অহংকার করে বলার জন্য নয়। সাধারণ মানুষ অযোগ্য কারো কথা কেনো মানবে? আমি এমন কথা বলার যোগ্য কিনা তার প্রমাণ দিলাম। আমি প্রথমে ২০১৫ সালে একজনের সোহবতে এসে স্থীর হয়ে যাই। তিনি আমার তপ্ত মরুতে একফোঁটা বৃষ্টি। এই স্থীরতায় পূর্ণাঙ্গতা দেয় দাওয়াত ও তাবলিগ এক বছর মেহনত। যেখানে এসে আমি শান্তি আর ভালবাসার একটি সাগর পাই। আমার সেই সাগরে আজ কিছু শকুনেরা আঁচড় দিতে চায়। নীরবতা ভেঙ্গে এখন সত্য তুকে ধরা হবে। ছাগল ছানার মত একটায় ম্যা ম্যা করলে সাথে সকলেকে ম্যা ম্যা করতে হয় না। কানে হাত দিয়ে দেখেন কান যায়গায় আছে কিনা।
মাওলানা সৈয়দ ফাহিম আব্দুল্লাহ
ডাবলিন, আয়ারল্যান্ড।