এই সময়ে বাংলাদেশ : দক্ষিণ এশিয়ার ব্যবসায়িক অঙ্গনে বাংলাদেশের জন্য এক গর্বের মুহূর্ত এনে দিলেন ডোরিন গ্রুপের ডিরেক্টর (কমার্শিয়াল ও ব্যাংকিং) এ এইচ এম মওদুদ এলাহী। তিনি অর্জন করেছেন “গ্লোবাল লিডার ইন এক্সপোর্ট, ইমপোর্ট অ্যান্ড ব্যাংকিং ম্যানেজমেন্ট” সম্মাননা।
শ্রীলঙ্কার কলম্বোর Cinnamon Life – City of Dreams–এ সম্প্রতি অনুষ্ঠিত South Asian Business Excellence Awards 2025–এর নবম আসরে তাকে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন শ্রীলঙ্কার সাবেক রাষ্ট্রপতি মৈত্রীপালা সিরিসেনা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাকিস্তানের ফেডারেল মিনিস্টার ফর ডিফেন্স প্রোডাকশন মোহাম্মদ রাযা হায়াত হাররাজ, শ্রীলঙ্কা পার্লামেন্টের সাবেক ডেপুটি স্পিকার থিলাঙ্গা সুমাথিপালা, শ্রীলঙ্কাস্থ নেপালের রাষ্ট্রদূত ড. পূর্ণ বাহাদুর নেপালি এবং ভারতের হাইকমিশনের কাউন্সেলর সানজীব আরোরা।
দক্ষিণ এশিয়ার বিশিষ্ট কূটনীতিক, নীতিনির্ধারক ও ব্যবসায়িক নেতাদের উপস্থিতিতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয় মওদুদ এলাহীর হাতে।
সম্প্রতি ডোরিন গ্রুপে ডিরেক্টর (কমার্শিয়াল ও ব্যাংকিং) হিসেবে যোগ দিয়েছেন তিনি। এর আগে তিনি এলিগ্যান্ট গ্রুপ, থার্মেক্স গ্রুপ, দেবা গ্রুপ এবং ভেনাস গ্রুপে জিএম ও বিভাগীয় প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, রপ্তানি–আমদানি ব্যবস্থাপনা, সাপ্লাই চেইন ও ব্যাংকিং অপারেশনে তার দক্ষতা শিল্পখাতে ইতোমধ্যে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত।
শিক্ষাজীবনেও উজ্জ্বল মওদুদ এলাহী। গ্রিন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ থেকে এমবিএ, সরকারি তিতুমীর কলেজ থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে এমএসএস এবং ইসলামিক আরবি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ ডিগ্রি অর্জন করেছেন। পাশাপাশি লন্ডন ইনস্টিটিউট অব ব্যাংকিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স এর আন্তর্জাতিক মানের CDCS সার্টিফিকেট এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ থেকে LCMC সার্টিফিকেশন লাভ করেন।
দেশ–বিদেশে অসংখ্য প্রশিক্ষণ গ্রহণের পাশাপাশি তিনি বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ–র SEIP–IBA প্রকল্পের অধীনে Post Graduate Diploma in Garments Business প্রোগ্রামে গেস্ট লেকচারার হিসেবে কর্মরত। তিনি ট্রেইনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (TAB), প্রফেশনাল পাবলিক স্পিকারস ফোরাম (PPSF), বাংলাদেশ অর্গানাইজেশন ফর লার্নিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (BOLD)-এর সদস্য এবং লিডারস ফোরাম বাংলাদেশের আজীবন সদস্য।
পুরস্কারপ্রাপ্তির অনুভূতি জানাতে গিয়ে মওদুদ এলাহী বলেন, আলহামদুলিল্লাহ। এই আন্তর্জাতিক সম্মাননা আমার টিমওয়ার্ক, ত্যাগ, নিবেদন এবং পরিবারের অব্যাহত সমর্থনের ফল। বাংলাদেশের হয়ে বৈশ্বিক মঞ্চে দাঁড়ানো আমার জন্য গর্ব ও অনুপ্রেরণার।
দক্ষিণ এশিয়ার রপ্তানি–বাণিজ্য ও ব্যাংকিং খাতে তার দীর্ঘদিনের কার্যকর নেতৃত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ এ অর্জনকে বাংলাদেশের শিল্পখাতের জন্য নতুন অনুপ্রেরণা হিসেবে দেখা হচ্ছে।