চাঁদপুর ও লক্ষ্মীপুর জেলায় বন্যা ও অতিবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত ৩৫ হাজার কৃষকের মধ্যে কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট সেন্টার (কোডেক) এর উদ্যোগে কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে। গত রোববার সকালে লক্ষ্মীপুর জোনাল কোডেক-এর কার্যালয়ে
নেত্রকোণার খালিয়াজুরী উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের অন্তর্গত কেওরালা জলমহালের পাশে ফসল রক্ষা বাঁধ কেটে নিষিদ্ধ জাল দিয়ে মাছ ধরার অভিযোগ এনে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন পাঁচহাট গ্রামের আপনুজ্জামান নামের
ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় উপকূলীয় বাঁধ পূর্ণবাসন ও নিষ্কাশন ব্যাবস্থার উন্নয়ন প্রকল্পের ১ম পর্যায়ের টি.এল.সি ১নং প্যাকেজ এর উদ্বোধন। শনিবার (১৬ নভেম্বর) সকালে সোনাপুর ইউনিয়নে দোয়া-মোনাজাতের মধ্যে দিয়ে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন
করবো বীমা গড়বো দেশ স্মার্ট হবে বাংলাদেশ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত ও নিয়ন্ত্রিত ইসলামীক শরিয়াহ মোতাবেক পরিচালিত বেস্ট লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড ঘাটাইল জোন
রাজধানীর কদমতলীর বিভিন্ন বাজারের দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধগতিতে পরিস্থিতি ভয়াবহ। বর্তমান বাজারে দেখা যায় চালের দাম এর চেয়ে বেশি আলুর দাম। বাজারে দেখা যায় মোটা ও মাঝারি ধরনের চালের চেয়েও আলুর দাম
লক্ষ্মীপুর জেলায় বসেছে ন্যায্যমূল্যের বাজার। সিন্ডিকেট ভাঙতে স্বস্তি ফিরে পেয়েছে জনসাধারণ। অন্য দিকে বেড়েছে ক্রেতাদের ভিড়। বাজার দর কম হওয়া আসছে বাজারে জনসাধারণ। ছাত্র প্রতিনিধিরা জানান, সিন্ডিকেট ভাঙতে ও জনমনে
জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবে হুমকির মুখে পড়েছে নেত্রকোনার সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা। প্রতিবছর বিভিন্ন ধরণের প্রাকৃতিক দুর্যোগের বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে প্লাবিত হচ্ছে বিস্তীর্ণ এলাকা। অনুপোযোগী হয়ে পড়ছে বসবাস। বৃদ্ধি পেয়েছে লবণাক্ততা। ফলে
নেত্রকোণায় আগাম জাতের আমন ধান কাটা ও মাড়াই শুরু হয়েছে। পাকা ধানের সোনালি শিষে ভরে গেছে ফসলের মাঠ। ধান কাটা-মাড়াইয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। ভালো ফলন আর দাম বেশি
“করব বীমা গড়বো দেশ,স্মাট হবে বাংলাদেশ’’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে নেত্রকোনায় বেস্ট লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের মৃত্যুদাবীর চেক হস্তান্তর, দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪ অক্টোবর) বেস্ট লাইফ ইন্স্যুরেন্স
নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলা গুমুরিয়া গ্রামের হাসেন আলীর ছেলে সুমন মিয়া, জন্ম থেকে প্রতিবন্ধী। তার পিঠে খুঁজ থাকায় চলতে ফিরতে অনেক কষ্ট হয়। কিন্তু পেটের ক্ষুধার যন্ত্রণা সামাল দিতে বাড়ি ছেড়ে