1. admin@anantabangla.com : admin :
শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:০৪ পূর্বাহ্ন
অনন্ত বাংলা শিরোনাম :
একাত্তরের চেতনা এবং খাঁটি দেশপ্রেমের সংজ্ঞা চাটখিলে সম্পত্তি দখলের চেষ্টা, ভাংচুর, লুটপাট ও গাছ কাটার অভিযোগ ভান্ডারিয়ায় রং মিশিয়ে মাছ বিক্রি, ভিডিও করায় সাংবাদিককে হেনস্তার অভিযোগ চাটখিলে শত বছরের পুরনো ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজ দিয়ে চলাচল, ভেঙে পড়ার শঙ্কা! মারা গেছেন এনসিপি নেত্রী রাফিয়া সুলতানা হজ ব্যবস্থাপনার সাথে সরকারের ভাবমূর্তির প্রশ্ন জড়িত: ধর্মমন্ত্রী সেবার মান উন্নয়নে চাটখিল স্কয়ার হসপিটালে আধুনিক অটোমেশন ল্যাব: রোগীদের স্বস্তি চাটখিল সেন্ট্রাল হাসপাতালে ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় মা ও নবজাতকের জীবন সংকটাপন্ন অনিয়ম ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ: চাটখিলে দুই হাসপাতালকে অর্থদণ্ড চাটখিল সাংবাদিক ফোরামের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

গাইবান্ধার দক্ষিণ ফলিয়ায় সবজি চাষে স্বপ্ন বুনেছেন তমা

মাসুদ রানা, গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ১২৪ বার পঠিত
স্বামী আর দুই সন্তান নিয়ে জীবন জীবিকার লড়াই করে আসছিল দিশা আক্তার তমা। এর মধ্যে দৃঢ় মনোবলে শুরু করেন কৃষি ফসল উৎপাদনের কাজ। কৃষিতে হাড়াভাঙা পরিশ্রম করে এখন সাফল্যের শিকড়ে পৌঁছেছেন এই উদ্যোমী নারী । তার সংসারে এখন লেগেছে সুখের ছোঁয়া।
সম্প্রতি গাইবান্ধা সদর উপজেলার দক্ষিণ ফলিয়া নামক এলাকার কৃষি মাঠে দেখা গেছে- ফুলকপি, শিম ও টমেটোসহ বিভিন্ন ধরনের সবজির সমাহার অপরূপ দৃশ্য। সেখানে আপন খেয়ালে খেত পরিচর্যায় ব্যস্ত ছিলেন তমা।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দিশা আকতার তমা অসচ্ছল পরিবারে জন্মগ্রহণ করে বিয়েও হয় অসচ্ছল পরিবারেই। পরিবারে রোজগারের লোক না থাকায় স্বামীর বাড়িতে আর যাওয়া হয়নি। তার মা হাসনা হেনা বেগম একা হওয়ায় দায়িত্বভার পড়ে নিজ কাঁধেই। সেই থেকেই স্বামীকে নিয়ে বাবার বাড়িতে দুই সন্তান নিয়ে জীবনযুদ্ধে নেমে পড়েন তমা। তারপর নিজেকে স্বাবলম্বী করার জন্য পরিকল্পনা গ্রহণ করেন। এরপর থেকেই কৃষি কাজ থেকে কোনো কিছু করা যায় কি না সেই ভাবনা তার। নিজের ইচ্ছের কথাটা তুলে ধরেন স্বামী শরিফুল ইসলামের কাছে। আর নিজের জমিতে শুরু করেন বিভিন্ন প্রকারের সবজির আবাদ। তার মধ্যে মিষ্টি কুমড়া, শিম, ফুলকপি, লাউ, টমেটো। প্রথম অবস্থায় সবজি খাত থেকে বাজিমাত করেন তমা। একইসঙ্গে গাভীর খামারের পরিকল্পনাও করছেন এই নারী উদ্যোক্তা। বর্তমানে ১০০ শতাংশ জমিতে করেছে সবজির চাস।
নজিম উদ্দিন নামের স্থানীয় এক ব্যক্তি বলেন, এলাকায় কৃষি উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখায় আশপাশে সবাই উদ্বুদ্ধ হয়ে এখানে সবজি ফসলি জমি বাড়ছে। একইসঙ্গে বীজ উৎপাদন করতে চান এই উদ্যোমী নারী।
উদ্যোক্তা দিশা আকতার তমা বলেন, একসময় অভাবের সংসারে নুন আন্তে পান্তা ফুরায় এমন অবস্থা ছিল। এখন ফসল উৎপাদন করে অনেকটা লাভবান হয়েছি। দূর হয়েছে অভাব নামের শব্দটি।
Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত ©২০২৪ দৈনিক অনন্ত বাংলা
Theme Customized BY SHAKIL IT PARK