প্রিন্ট এর তারিখঃ অক্টোবর ২, ২০২৬, ৬:৪২ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ ডিসেম্বর ২৯, ২০২৪, ১০:০৩ অপরাহ্ণ
গাইবান্ধার দক্ষিণ ফলিয়ায় সবজি চাষে স্বপ্ন বুনেছেন তমা

স্বামী আর দুই সন্তান নিয়ে জীবন জীবিকার লড়াই করে আসছিল দিশা আক্তার তমা। এর মধ্যে দৃঢ় মনোবলে শুরু করেন কৃষি ফসল উৎপাদনের কাজ। কৃষিতে হাড়াভাঙা পরিশ্রম করে এখন সাফল্যের শিকড়ে পৌঁছেছেন এই উদ্যোমী নারী । তার সংসারে এখন লেগেছে সুখের ছোঁয়া।
সম্প্রতি গাইবান্ধা সদর উপজেলার দক্ষিণ ফলিয়া নামক এলাকার কৃষি মাঠে দেখা গেছে- ফুলকপি, শিম ও টমেটোসহ বিভিন্ন ধরনের সবজির সমাহার অপরূপ দৃশ্য। সেখানে আপন খেয়ালে খেত পরিচর্যায় ব্যস্ত ছিলেন তমা।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দিশা আকতার তমা অসচ্ছল পরিবারে জন্মগ্রহণ করে বিয়েও হয় অসচ্ছল পরিবারেই। পরিবারে রোজগারের লোক না থাকায় স্বামীর বাড়িতে আর যাওয়া হয়নি। তার মা হাসনা হেনা বেগম একা হওয়ায় দায়িত্বভার পড়ে নিজ কাঁধেই। সেই থেকেই স্বামীকে নিয়ে বাবার বাড়িতে দুই সন্তান নিয়ে জীবনযুদ্ধে নেমে পড়েন তমা। তারপর নিজেকে স্বাবলম্বী করার জন্য পরিকল্পনা গ্রহণ করেন। এরপর থেকেই কৃষি কাজ থেকে কোনো কিছু করা যায় কি না সেই ভাবনা তার। নিজের ইচ্ছের কথাটা তুলে ধরেন স্বামী শরিফুল ইসলামের কাছে। আর নিজের জমিতে শুরু করেন বিভিন্ন প্রকারের সবজির আবাদ। তার মধ্যে মিষ্টি কুমড়া, শিম, ফুলকপি, লাউ, টমেটো। প্রথম অবস্থায় সবজি খাত থেকে বাজিমাত করেন তমা। একইসঙ্গে গাভীর খামারের পরিকল্পনাও করছেন এই নারী উদ্যোক্তা। বর্তমানে ১০০ শতাংশ জমিতে করেছে সবজির চাস।
নজিম উদ্দিন নামের স্থানীয় এক ব্যক্তি বলেন, এলাকায় কৃষি উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখায় আশপাশে সবাই উদ্বুদ্ধ হয়ে এখানে সবজি ফসলি জমি বাড়ছে। একইসঙ্গে বীজ উৎপাদন করতে চান এই উদ্যোমী নারী।
উদ্যোক্তা দিশা আকতার তমা বলেন, একসময় অভাবের সংসারে নুন আন্তে পান্তা ফুরায় এমন অবস্থা ছিল। এখন ফসল উৎপাদন করে অনেকটা লাভবান হয়েছি। দূর হয়েছে অভাব নামের শব্দটি।
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ শরীফ। নির্বাহী সম্পাদক : তাসেরা তাজরীন। বার্তা সম্পাদক : মোহাম্মদ আমান উল্যা।সম্পাদক ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: এমএস প্লাজা (৩য় তলা)২৭/সি/২ টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০।
তুহিন
প্রেস ২১৯/২, ফকিরাপুল (১ম গলি), মতিঝিল হতে মুদ্রিত। ফোন:
+৮৮-০২-৪১০৫২৪৯৪, মোবাইল: ০১৯৭১-৮৪২৩৬৫, ০১৭১১৮৪২৩৬৫, বার্তা: ০১৭৩১-৮৫৭১৮৬
,anantabanglanews24@gmail.com
Copyright © 2026 দৈনিক অনন্ত বাংলা. All rights reserved.