1. admin@anantabangla.com : admin :
শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০৮ পূর্বাহ্ন
অনন্ত বাংলা শিরোনাম :
একাত্তরের চেতনা এবং খাঁটি দেশপ্রেমের সংজ্ঞা চাটখিলে সম্পত্তি দখলের চেষ্টা, ভাংচুর, লুটপাট ও গাছ কাটার অভিযোগ ভান্ডারিয়ায় রং মিশিয়ে মাছ বিক্রি, ভিডিও করায় সাংবাদিককে হেনস্তার অভিযোগ চাটখিলে শত বছরের পুরনো ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজ দিয়ে চলাচল, ভেঙে পড়ার শঙ্কা! মারা গেছেন এনসিপি নেত্রী রাফিয়া সুলতানা হজ ব্যবস্থাপনার সাথে সরকারের ভাবমূর্তির প্রশ্ন জড়িত: ধর্মমন্ত্রী সেবার মান উন্নয়নে চাটখিল স্কয়ার হসপিটালে আধুনিক অটোমেশন ল্যাব: রোগীদের স্বস্তি চাটখিল সেন্ট্রাল হাসপাতালে ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় মা ও নবজাতকের জীবন সংকটাপন্ন অনিয়ম ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ: চাটখিলে দুই হাসপাতালকে অর্থদণ্ড চাটখিল সাংবাদিক ফোরামের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

জাকির সরকারের মহতি উদ্যোগে কুষ্টিয়া শহর নতুন রূপে সেজেছে

কে এম শাহীন রেজা, কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি:
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১৮৭ বার পঠিত

সাংস্কৃতিক রাজধানী খ্যাত কুষ্টিয়া শহরকে আরও সবুজ, নান্দনিক ও পরিবেশবান্ধব করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে আজ থেকে প্রায় ৬ মাস মাস আসে এক প্রশংসনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করেছিল কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও প্রকৌশলী জাকির হোসেন সরকার। তাঁর ব্যক্তিগত আগ্রহ ও দায়বদ্ধতা থেকে কুষ্টিয়া শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সৌন্দর্যবর্ধক বৃক্ষা ও ফুলের চারা রোপণ করেছিলেন। এই উদ্যোগ কেবল শহরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করছে না, বরং একটি পরিবেশবান্ধব, স্বাস্থ্যকর ও বাসযোগ্য নগরী গঠনের পথও সুগম করছে। তিনি তার নিজ তত্ত্বাবধানে কুষ্টিয়া শহরের ব্যস্ততম মহাসড়কের ডিভাইডারের মাঝে বটতৈল থেকে ত্রিমোহনী পর্যন্ত, পরিণত হয়েছে বিভিন্ন প্রজাতির রঙিন ফুল ও সবুজ গাছের ছোট ছোট বাগানে। এসব সজ্জিত বাগান পথচারী ও যাত্রীদের ইতিমধ্যে নজর কেড়েছে, শহরে এনে দিয়েছে এক প্রশান্তির পরিবেশ।
প্রকৌশলী জাকির হোসেন সরকারের ‘ক্লিন কুষ্টিয়া গ্রীন কুষ্টিয়া’ নামক একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের মাধ্যমে চলতি বছরের মার্চ মাসের ২০ তারিখে তৎকালীন জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে ডিভাইডারের মাঝে বাহারি ও সৌন্দর্যবর্ধক গাছ রোপণের কার্যক্রম চালু করেছিলেন। তার পর থেকে তার প্রতিষ্ঠিত ‘ক্লিন কুষ্টিয়া গ্রীন কুষ্টিয়া’ স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সাথে কাধে কাধ মিলিয়ে নিরলস পরিশ্রম করে আজ কুষ্টিয়া একটি ফুলের নগরীতে রূপান্তরিত করেছেন। এ কর্মসূচির মাধ্যমে রোপিত গাছপালাগুলো কেবল শহরের রূপকে উজ্জ্বল করে নাই, করেছে তাপমাত্রা হ্রাস, ধূলিকণা নিয়ন্ত্রণ ও পরিবেশ সংরক্ষণের ক্ষেত্রেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
পরিবেশ রক্ষায় সচেতন দৃষ্টিভঙ্গি থেকে জাকির হোসেন সরকার বলেন, এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য কুষ্টিয়া নির্মাণে সহায়ক হবে নিঃসন্দেহে। ইচ্ছা আর উদ্যোগ থাকলেই ব্যক্তি পর্যায় থেকেও শহরের পরিবেশ ও সৌন্দর্য রক্ষায় ভূমিকা রাখা সম্ভব। তিনি আরো বলেন, রাজশাহী সিটি নগরীর আদলে আমি এঁটা তৈরী করেছি। ইতিমধ্যে জনসাধারণের প্রশংসা ও উৎসাহ এই উদ্যোগে ইতোমধ্যে শহরবাসীর দৃষ্টি আকৃষ্ট হয়েছে। অনেকেই তাঁর এ কর্মপ্রচেষ্টাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এবং শহরের অন্যান্য সচেতন নাগরিকদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।
পরিবেশবিদ গৌতম কুমার রায় বলেন, কুষ্টিয়াকে পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও নান্দনিক শহর হিসেবে গড়ে তুলতে প্রকৌশলী জাকির হোসেন সরকারের এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে অনুকরণীয় হয়ে থাকবে। তাঁর এই দূরদর্শী চিন্তা ও নিরলস পরিশ্রমের ফলে আজ কুষ্টিয়া শহর নতুন রূপে সেজেছে, যা ভবিষ্যতে একটি মডেল শহর হিসেবে দেশবাসীর সামনে উপস্থাপন করা সম্ভব হবে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত ©২০২৪ দৈনিক অনন্ত বাংলা
Theme Customized BY SHAKIL IT PARK