
————-বাবা মানে বটবৃক্ষের ছায়া——————-
——————সোহেল খান দূর্জয়———————––
সত্যিই বাবা মানে বটবৃক্ষ মিষ্টি শীতল এক যে ছায়া
এই বাবা মানে হৃদয় মাঝে অন্যরকম এক যে মায়া
বাবা মানে তীব্র দুঃখে মাথার উপর একটি যে ছাতা
এই বাবা মানে নানান ছলে অর্থ চেয়ে হাত যে পাতা
বাবা মানে মনের এ নির্ভরতা বিশাল বড় একটি বল
বাবা মানে জীবনের দূর্যোগেও সামনে এগিয়ে চলা
এই বাবা মানে তীব্র রোদে মাথায় রাখা একটি ছাতা
বাবা মানে এই তীব্র শীতে নকশা করা একটি কাঁথা
এই বাবা মানে ছোট্ট শিশুর খেলার প্রিয় এক সাথী
বাবা মানে শত কিছু নেয় যে বিশাল এই মাথা পাতি
এই বাবা মানে প্রিয় গুরু প্রিয় একটি মহা বিদ্যালয়
বাবা মানে মনের সর্ব কাজে প্রধান একটি পরিচয়
বাবা মানে ছোট্ট বেলা হাতে হাতে হেঁটে চলতে শেখা
সত্যিই বাবা মানে সন্তানের সুখ সড়ল এক রেখা
বাবা মানে নিজে পুড়ে সোনা গড়ার স্বপ্ন দেখা পাত
সত্যিই তো বাবা মানে সর্ব কাজে শীরে দোয়ার হাত
পৃথিবীতে বাবা মানে রোদে পুড়ে খাবার মুখে তোলা
সত্যিই বাবা মানে ভালোবাসা যায় না তাকে ভোলা
বাবা মানে নয়া রনে নতুন শাখে শাখে যে জয় গান
তুমি কি জানো বাবা মানে বিধাতার সর্ব শ্রেষ্ঠ দান।
দুনিয়ায় বাবা নেই যার দুনিয়ার সব সুখ ছাই তার
এ দুনিয়ায় বাবা নেই যার দুনিয়ার কিছু নাই তার
এ দুনিয়ায় বাবা নেই যার সে জানে জীবন অসার
এ দুনিয়ায় বাবা নেই যার অতি কষ্টে দিন যায় তার
এ দুনিয়ায় বাবা নেই যার সুখ গুলো হয় ছাড়খার
এ দুনিয়ায় বাবা নেই যার ভবিষ্যত হয় অমানিশার
সত্যিই বাবা নেই যার দুঃখ বোঝার মানুষ নেই তার
জানি বাবা নেই যার অতিকষ্টে জীবন করে সে পার
সত্যিই বাবা নেই যার ঠাই পাবার যোগ্যতা নেই তার
দুনিয়ায় বাবা নেই যার কথায় কথায় ধরে তার ঘার
জানি তো বাবা নেই যার হৃদয় মাঝে রক্ত ঝরে তার
বাবা তোমায় নিয়ে লিখবো কিছু ভাবছি সারাদিন
কেমন করে মিটাই বলো বাবা তোমার এই যে ঋন
চলে গেছো সেই যে কবে আসলে না আর তো ফিরে
বাবা কেমন করে থাকছো তুমি আমাদেরকে ছেড়ে
সত্যিই আজো বাবা পরছে মনে সেই দিনেরও কথা
যেদিন তুমি চলে গেলে বুজলে এই যে চোখের পাতা
আমার প্রশ্ন কিছু ছাড়েনা পিছু কেমন আছো তুমি
এই তারার মাঝে মিছে খুজি এখনো তোমায় আমি
এইতো সবাই ডাকে বাবা-বাবা আমার তুমি যে নাই
কোথায় গেলে বলো বাবা তোমায় আমি খুঁজে পাই।
সত্যিই যেমন করে পিতা আমার বাসতো যে ভালো
তেমন তুমি তোমার কাছে রেখো আমায় যে ভালো
যেমন করে স্নেহ মেখে তুমি তুলতে যে টেনে কাছে
তুমিই রহিম অতি দয়ার আর কেউ কি আরো আছে
তুমি আমায় লালন পালন কর তোমার আপন হাতে
ছোট্ট বেলায় যেমন করে তুমি রাখতে তোমার সাথে
যেমন করে বাবা তুমি খাবার দিতে আমার এই মুখে
বেহেস্তি চীস তাকে দিও বলি যে আমি মাথা ঝুঁকে
আদর করে যেমন ভাবে তুমি ঘুম পাড়িয়ে যে দিতে
সুখের নিদ্রা দাওগো তাকে আমার সেজদা শত শত
এই যে আঁধার তরাসে বাবা তুমি শীতল শয্যা নিয়ে
ফরিয়াদ প্রভুর লক্ষ লক্ষ রেখো যে আলোক দিয়ে
সত্যিই স্রষ্টা তুমি তো ওয়াদুদ প্রেমের সম্পর্ক ধরে
কুদরতি হাত দিয়ে এসে এই সেজদা তোমার তরে
রোগ দিয়ে শোক দিয়ে তুমি দিলি যেন কষ্ট কতো
তোমার কাছে তুমি ভালো রেখো মিটা জ্বালা যতো
তুমি ছাড়া তো অন্য কিছুতে আমার শীর না ঝুঁকে
আমি তোমায় মানি তোমায় জানি রহিম বলে ডাকি
তুমি দয়াবান তুমি মেহেরবান তুমিই হলে যে শ্রেষ্ঠ
তোমার পায়ে মাথা রেখে বলি বাবাকে মাফ করো।