1. admin@anantabangla.com : admin :
শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫০ পূর্বাহ্ন
অনন্ত বাংলা শিরোনাম :
একাত্তরের চেতনা এবং খাঁটি দেশপ্রেমের সংজ্ঞা চাটখিলে সম্পত্তি দখলের চেষ্টা, ভাংচুর, লুটপাট ও গাছ কাটার অভিযোগ ভান্ডারিয়ায় রং মিশিয়ে মাছ বিক্রি, ভিডিও করায় সাংবাদিককে হেনস্তার অভিযোগ চাটখিলে শত বছরের পুরনো ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজ দিয়ে চলাচল, ভেঙে পড়ার শঙ্কা! মারা গেছেন এনসিপি নেত্রী রাফিয়া সুলতানা হজ ব্যবস্থাপনার সাথে সরকারের ভাবমূর্তির প্রশ্ন জড়িত: ধর্মমন্ত্রী সেবার মান উন্নয়নে চাটখিল স্কয়ার হসপিটালে আধুনিক অটোমেশন ল্যাব: রোগীদের স্বস্তি চাটখিল সেন্ট্রাল হাসপাতালে ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় মা ও নবজাতকের জীবন সংকটাপন্ন অনিয়ম ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ: চাটখিলে দুই হাসপাতালকে অর্থদণ্ড চাটখিল সাংবাদিক ফোরামের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

সিলেট বিদ্যুত বিভ্রাট, ১০ দিন ধরে বন্ধ কুমারগাঁও স্টেশন

জেলা প্রতিনিধি সিলেট :
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৭ জুলাই, ২০২৫
  • ৯৩ বার পঠিত

সিলেট শহরে গত দুই সপ্তাহের বেশি ধরে সিলেটে বিদ্যুত বিভ্রাট দেখা দিয়েছে। ঘন্টার পর ঘন্টার সিলেট নগরী অন্ধকারে কাটাতে হচ্ছে। কুমারগাঁও ১৩২/৩৩ কেভি গ্রিড উপকেন্দ্রের আওতাধীন ২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন পাওয়ার স্টেশনটি টানা ১০ দিন ধরে বন্ধ থাকায় নগরজুড়ে দেখা দিয়েছে লোডশেডিং। বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন নগরবাসী।
বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিউবো) সূত্রে জানা গেছে, পাওয়ার স্টেশনের একটি ট্রান্সফরমার পুড়ে যাওয়ায় সেটি বন্ধ রাখা হয়েছে। যেহেতু যন্ত্রাংশ বিদেশ থেকে আনতে হয়, তাই কবে নাগাদ এটি মেরামত হয়ে পুনরায় চালু হবে, তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।
বিউবো সিলেট অঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী আব্দুল কাদির বলেন, ‘সিলেটে আমাদের নিজস্ব বিদ্যুৎ উৎপাদন কার্যত নেই। পুরোপুরি জাতীয় গ্রিডের ওপর নির্ভর করতে হয়। তার ওপর লো- ভোল্টেজ সমস্যাও যুক্ত হয়েছে। তবে পাওয়ার স্টেশন বন্ধের প্রকৃত কারণ নিয়ে বিভিন্নমুখী বক্তব্য পাওয়া গেছে। কেউ বলছেন যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে, কেউ বলছেন,এটি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছে। এক প্রকৌশলী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ‘পাওয়ার স্টেশনে বড় কোনো যান্ত্রিক ত্রুটি নেই, এটি মূলত রক্ষণাবেক্ষণের কারণেই বন্ধ রয়েছে।
এদিকে সিলেট মহানগরীর পাঁচটি বিদ্যুৎ বিভাগের অধীন ১৩টি সাবস্টেশন অতিরিক্ত চাপে পড়েছে। গরম বাড়ার কারণে ফিউজ ও তার ছিঁড়ে যাওয়ার ঘটনা বেড়েছে, দেখা দিয়েছে ভোল্টেজ ড্রপের সমস্যাও।
বিউবো কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার সিলেট অঞ্চলে প্রায় ৩৩ শতাংশ বিদ্যুৎ ঘাটতি ছিল। সিলেট বিতরণ বিভাগ-২ এর নির্বাহী প্রকৌশলী শামস-ই-আরেফিন বলেন, ‘আমাদের হাতে বিদ্যুৎ নেই। ঢাকা থেকে যখন-তখন সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। এতে পুরো সিস্টেমে ফ্রিকোয়েন্সি ডাউন হয়। ঢাকার সিদ্ধান্ত সিলেটের বাস্তবতায় ভয়াবহ প্রভাব ফেলছে।
বিদ্যুৎ পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক না হলে সংকট আরও ঘনীভূত হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অসন্তোষ প্রকাশ করছেন ভুক্তভোগীরা। কেউ -কেউ ক্ষোভে বিদ্যুৎ কর্মকর্তাদের ফোনে দুর্ব্যবহার করছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত ©২০২৪ দৈনিক অনন্ত বাংলা
Theme Customized BY SHAKIL IT PARK