1. admin@anantabangla.com : admin :
শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫২ পূর্বাহ্ন
অনন্ত বাংলা শিরোনাম :
একাত্তরের চেতনা এবং খাঁটি দেশপ্রেমের সংজ্ঞা চাটখিলে সম্পত্তি দখলের চেষ্টা, ভাংচুর, লুটপাট ও গাছ কাটার অভিযোগ ভান্ডারিয়ায় রং মিশিয়ে মাছ বিক্রি, ভিডিও করায় সাংবাদিককে হেনস্তার অভিযোগ চাটখিলে শত বছরের পুরনো ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজ দিয়ে চলাচল, ভেঙে পড়ার শঙ্কা! মারা গেছেন এনসিপি নেত্রী রাফিয়া সুলতানা হজ ব্যবস্থাপনার সাথে সরকারের ভাবমূর্তির প্রশ্ন জড়িত: ধর্মমন্ত্রী সেবার মান উন্নয়নে চাটখিল স্কয়ার হসপিটালে আধুনিক অটোমেশন ল্যাব: রোগীদের স্বস্তি চাটখিল সেন্ট্রাল হাসপাতালে ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় মা ও নবজাতকের জীবন সংকটাপন্ন অনিয়ম ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ: চাটখিলে দুই হাসপাতালকে অর্থদণ্ড চাটখিল সাংবাদিক ফোরামের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

সাত মাসের অন্ত:স্বত্ত্বা স্ত্রীকে গলাকেটে হত্যায় স্বামীর মৃত্যুদন্ড, সহযোগীর যাবজ্জীবন

সোহেল খান দূর্জয়, নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২৪
  • ১১৬ বার পঠিত
নেত্রকোনায় সাত মাসের অন্ত:স্বত্ত্বা দ্বিতীয় স্ত্রী তমালিকাকে গলাকেটে হত্যায় দায়ে স্বামী রাসেল মিয়াকে মৃত্যুদন্ড প্রদান করেন জেলা জজ আদালত। এই হত্যা মামলায় সহযোগীদের একজন হিমেলকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা এবং আরেক সহযোগী মাজেদাকে এক বছর সশ্রম কারাদন্ড ও পাঁচ হাজার টাকা জরিমানার প্রদান করা হয়েছে।
নিহত তমালিকা বারহাট্টা উপজেলার সিংধা ভাটিপাড়া গ্রামের মো. রহিজ মিয়ার মেয়ে। এ মামলায় অব্যাহতি প্রাপ্তরা হলেন- রোকেয়া আক্তার, আ. হাশেম ও এজাহার বহির্ভূত অন্যান্য ব্যক্তিগণ।
বুধবার (২৭ নভেম্বর) বিকেলে নেত্রকোনা জেলা ও দায়রা জজ মো. হাফিজুর রহমান এই রায় প্রদান করেন। ২০২০ সালে বারহাট্টা থানায় মামলা নং- ১৩(১) ২০২০, জি.আর নং- ১৩(২) ২০২০ এবং ৪০৯/২০২০ নং দায়রা মোকাদ্দমায় রাষ্ট্রপক্ষের অ্যাড. আবুল হাসেম (পিপি) এবং আসামিপক্ষের অ্যাড. মো. আব্দুল কাদির এ হত্যা মামলার কৌশলী ছিলেন।
জানা যায়, আসামিগণ একই গ্রামের পাশাপাশি বাড়ির বাসিন্দা। হত্যাকান্ডে এক বছর পূর্বে তমালিকার (২০) সাথে রাসেল মিয়ার বিয়ে হয়। বিয়ের আগেই মামলায় অব্যাহতি প্রাপ্ত আসামি রোকেয়াকে বিয়ের পর তালাক দিয়েছিল রাসেল মিয়া। পূর্বের বিয়ের বিষয়টি রাসেল তার পরিবারের কাছে গোপন করেছিল। তমালিকার সাথে বিয়ের কিছুদিন পর প্রথম স্ত্রী রোকেয়ার সাথে যোগাযোগ শুরু এবং একাধিক মোবাইল নাম্বারে বিভিন্ন মেয়েদের সাথে কথা বলতেন রাসেল মিয়া। নৈতিকস্থলন জনিত কাজে বাধা দিলে তমালিকাকে প্রায় সময় মারধর করতো রাসেল। হত্যাকান্ডের একমাস পূর্বেও তমালিকার মুখে, হাত-পায়ে স্কসটেপ লাগিয়ে মারপিটের পর স্থানীয়ভাবে আপোষ মীমাংসাও করা হয়।
২০২০ সালের ৮ জানুয়ারী রাত আনুমানিক ৯টার দিকে রাতের খাবার খেয়ে রাসেল ও তমালিকা ঘুমিয়ে পড়েন। ওইদিন গত রাত ২টার দিকে চিৎকার, চেচামিচি ও হৈচে শুনে ঘরের বারান্দায় তমালিকার গলাকাটা মৃতদেহ দেখতে পান আশপাশের লোকজন। এ সময় তমালিকা সাত মাসের অন্ত:স্বত্ত্বা ছিলেন মামলার বিবরনী থেকে জানা গেছে।
Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত ©২০২৪ দৈনিক অনন্ত বাংলা
Theme Customized BY SHAKIL IT PARK