
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের পল্লীতে শ্বশুরবাড়িতে অবস্থানকালে শাশুড়ি, শালিকা, ভায়রা ও স্ত্রীকে মারপিটে আহত করে সোনার গহনা, নগদ টাকাসহ আসবাবপত্র নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে ঘরজামাইয়ের বিরুদ্ধে। সোমবার (৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫) সকাল ৭টার দিকে উপজেলার নাকাই ইউপির খুকশিয়া (আগের বাড়ি) গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় স্ত্রী রেনুকা বেগম বাদী হয়ে স্বামী শহিদুল ইসলাম, ভাসুর ফরিদুল, জাইদুল গংদের অভিযুক্ত করে থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।
জানা যায়, বিগত ১৫বছর পূর্বে রেনুকা বেগমের সাথে পাশের খুকশিয়ার (টুনকিপাড়া) মৃত শাহাব উদ্দিনের সাথে পারিবারিকভাবে বিবাহ হয়। তারা দু’জনে গাজীপুরে চাকরি করতেন। স্বামী শহিদুল জুয়ায় আসক্ত হওয়ায় প্রায়ই স্ত্রীকে টাকার জন্য নির্যাতন করত। কিছুদিন চাকরি করার পর শহিদুল চাকরি ছেড়ে দিয়ে স্ত্রীর একক বেতনের উপর নির্ভরশীল হয়ে। বাধ্য হয়ে রেনুকা গ্রামের বাড়িতে ফিরে এসে স্বামী সন্তান (১২বছর) নিয়ে বাবার বাড়িতে অবস্থান করেন।
পরে কোচাশহর একটি কারখানায় মাসিক ৬ হাজার নগদ টাকা এবং অবশিষ্ট মালিকের কাছে গচ্ছিত রেখে চাকরি করতে থাকে। এক পর্যায়ে গত ৩০ জানুয়ারি কারখানা মালিক রেনুকার গচ্ছিত ১ লাখ ৫ হাজার টাকা প্রদান করে। স্বামী ওই টাকা হাতানোর কৌশল করে স্ত্রীকে নিজের বাড়িতে নিয়ে যেতে চায়। স্ত্রী রাজি না হলে ঘটনার দিন স্বামী তার ভাইদের সহ অন্যান্য সহযোগিদের নিয়ে শ্বশুরবাড়িতে জোরপূর্বক অনুপ্রবেশ করে শাশুড়ি, শালিকা ও ভায়রাকে মেরে টাকা ও গহনাসহ, আসবাবপত্র নিয়ে নিজেদের বাড়িতে যায়।
লিখিত অভিযোগ জমার বিষয়টি নিশ্চিত করে গোবিন্দগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বুলবুল ইসলাম জানান, তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।