
নেত্রকোনা পৌরসভায় দীর্ঘদিন পর থেমে থাকা উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে আবারও প্রাণচাঞ্চল্য ফিরেছে। নেত্রকোনা পৌর প্রশাসক মোঃ আরিফুল ইসলাম সরদার মাঠপর্যায়ে সরেজমিন তদারকি শুরু করে স্থবির উন্নয়নকে নতুন গতি দিয়েছেন। তিনি বিভিন্ন ওয়ার্ড পরিদর্শন করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও পৌর কর্মীদের দায়িত্বশীলতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি অবহেলার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দেন। ল্যাম্পপোষ্ট স্থাপন, পরিচ্ছন্নতা ও নগরায়নে নতুন উদ্যোগে অবকাঠামো আলোকিত ও নান্দনিক করতে ইতোমধ্যে অনেক বড় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে,সড়ক আলোকায়ন ও পরিচ্ছন্নতা।নেত্রকোনা পৌরসভার প্রতিটি সড়কে আলোকায়ন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।
নাগরিক উন্নয়নে চলমান প্রকল্পে ফের গতির সঞ্চার প্রশাসকের তদারকি ও সমন্বয়ে চলমান প্রকল্পগুলোয় দৃশ্যমান অগ্রগতি পরিলক্ষিত হচ্ছে।
শুরু করেছেন মাঠপর্যায়ে সক্রিয় নজরদারি ও জবাবদিহিতা। প্রশাসক আরিফুল ইসলাম সরদার নিজেকে কক্ষচ্যুত না রেখে কর্মকর্তাদের নিয়ে শহরের রাস্তা, ড্রেনেজ, জনসেবা এলাকা এবং উন্নয়নকাজের অগ্রগতি সরাসরি পর্যবেক্ষণ করছেন।
তিনি বলেন, “নাগরিক প্রত্যাশা পূরণে শৃঙ্খলা, স্বচ্ছতা ও সময়ানুবর্তিতা নিশ্চিত করাই এখন প্রধান লক্ষ্য। জনআস্থায় ফেরার ইতিবাচক সাড়া, দীর্ঘদিনের স্থবিরতা কাটিয়ে উন্নয়ন তৎপরতা, নতুন প্রকল্প, সড়ক সংস্কার, আলোকায়ন এবং নাগরিকমুখী সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের মধ্যে দিয়ে শহরে পরিবর্তনের সুর স্পষ্ট হচ্ছে। তদারকি জোরদার হওয়ায় এবং হটলাইন চালুর ফলে মানুষের মধ্যেও আস্থা ফিরতে শুরু করেছে। প্রশাসকের সক্রিয় পদক্ষেপে পৌরসভা উন্নয়ন পরিকল্পনা এখন বাস্তব রূপ পাচ্ছে—এমনটাই আশা করছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও সংশ্লিষ্টরা।
নেত্রকোনা পৌর প্রশাসক বলেন “সময় নষ্টের আর কোনো সুযোগ নেই। এখন দ্রুতগতিতে কাজ এগিয়ে নিতে হবে। দায়িত্বে গাফিলতি করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
মাত্র এক ঘন্টায় যে কোনো সমস্যা সমাধান করার কথা বলে প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি বলেন, নাগরিক সেবায় বিশেষ হটলাইন চালু করা হয়েছে ,জনগণের অভিযোগ ও সমস্যার দ্রুত সমাধান সম্ভব। ফোন করলেই নাগরিকরা সরাসরি পৌর কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারবেন।
এবিষয়ে পৌর সভার এমন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে কয়েকজন পৌর বাসিন্দা বলেন আমাদের পৌরসভা প্রাচীন পৌরসভা ও প্রথম সারির প্রতিষ্ঠান, কিন্তু আমরা পৌরবাসী সেবা থেকে বঞ্চিত। কিন্তু আমাদের মনে হয় স্মরণ কালের সেরা সেবা কার্যক্রম পরিলক্ষিত হচ্ছে, আমরা চাই এই সেবার মান অব্যাহত থাকুক। এটা যে প্রথম সারির প্রতিষ্ঠান সেই পরিচয় বহন করতে পারে।