1. admin@anantabangla.com : admin :
শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:০৫ পূর্বাহ্ন
অনন্ত বাংলা শিরোনাম :
একাত্তরের চেতনা এবং খাঁটি দেশপ্রেমের সংজ্ঞা চাটখিলে সম্পত্তি দখলের চেষ্টা, ভাংচুর, লুটপাট ও গাছ কাটার অভিযোগ ভান্ডারিয়ায় রং মিশিয়ে মাছ বিক্রি, ভিডিও করায় সাংবাদিককে হেনস্তার অভিযোগ চাটখিলে শত বছরের পুরনো ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজ দিয়ে চলাচল, ভেঙে পড়ার শঙ্কা! মারা গেছেন এনসিপি নেত্রী রাফিয়া সুলতানা হজ ব্যবস্থাপনার সাথে সরকারের ভাবমূর্তির প্রশ্ন জড়িত: ধর্মমন্ত্রী সেবার মান উন্নয়নে চাটখিল স্কয়ার হসপিটালে আধুনিক অটোমেশন ল্যাব: রোগীদের স্বস্তি চাটখিল সেন্ট্রাল হাসপাতালে ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় মা ও নবজাতকের জীবন সংকটাপন্ন অনিয়ম ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ: চাটখিলে দুই হাসপাতালকে অর্থদণ্ড চাটখিল সাংবাদিক ফোরামের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

নেত্রকোনায় বেগুন গাছে ধরছে টমেটো গ্রাফটিং পদ্ধতিতে চাষ করে লাভবান হচ্ছে কৃষক

সোহেল খান দূর্জয়, নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৪
  • ৩৮৬ বার পঠিত
নেত্রকোনায় গ্রামাঞ্চলের পথেঘাটে, আনাচে-কানাচে প্রায়ই চোখে পড়ে পরিচর্যা ছাড়াই বেড়ে ওঠা কাঁটা বেগুন বা জংলি বেগুনের গাছ। অতিরিক্ত কাঁটা থাকায় অনেকে এ গাছকে আগাছা বলেও আগে অবহেলা করত। কিন্তু এ গাছকেই এখন কাজে লাগিয়ে গ্রাফটিং (কাটিং কলম) পদ্ধতিতে টমেটো চাষ শুরু করছেন চাষিরা। নেত্রকোনা জেলার দূর্গাপুর উপজেলার গাওগান্দিয়া গ্রামের কৃষক ফারুক হোসেন এ পদ্ধতিতে টমেটো চাষ শুরু করে ব্যাপক সফলতা পাওয়ায়, অন্যরাও আগ্রহী হচ্ছেন।
কৃষক ফারুক হোসেন জানান, স্থানীয় এনজিও ‘মৌসুমী’ থেকে চারা ও পরামর্শ নিয়ে সাত শতক জমিতে ১২ হাজার টাকা খরচ করে তিনি টমেটো চাষ শুরু করেছেন। মৌসুমী টমেটোর চারা দেয়, তিনি সেটা বেগুন গাছে গ্রাফটিং করে চাষ করেন। কারণ, এই জংলি বেগুন গাছ গ্রামে যেমন সহজলভ্য, তেমনি গ্রাফটিং করতেও সুবিধা। এখন পর্যন্ত বিক্রি করেছেন ১৫ হাজার টাকার টমেটো। প্রতিকেজি টমেটো পাইকারিতে বিক্রি করছেন ১৫০ টাকা। জমিতে বাকি যে টমেটো আছে, তা আরও ২০ থেকে ২২ হাজার টাকায় বিক্রি হবে বলে তিনি আশাবাদী।
এদিকে দূর্গাপুর উপজেলার এনজিও মৌসুমীর কর্মকর্তা বলেন, পিকেএসএফের আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় মৌসুমী বেগুন গাছে টমেটো চাষ পদ্ধতি বাস্তবায়ন করছে। সাত শতক জমিতে গ্রীষ্মকালীন টমেটো চাষ করতে ১২ হাজার টাকা খরচ হচ্ছে। তবে পরের বছর ব্যয় কমে যাবে। এই পদ্ধতিতে টমেটো চাষে বাঁশ, পলিথিন দিয়ে ছাউনি ও বেড়া তৈরি করতে হয়। সাধারণত শীতকালীন টমেটো চাষে এগুলো লাগে না। গাছে ফুল এলে দুই দিন পর পর হরমোন ছিটাতে হয়। এতে গাছের ঢলে পড়া রোগ হয় না এবং সার ও কীটনাশক খরচ কম লাগে। দ্বিতীয় বছর ছাউনি ও বেড়া দিতে বাঁশ কিনতে হয় না। মূলত আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহার করে আমরা কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করে আসছি। কৃষকরা যেন কম সময়ে, কম পরিশ্রমে ও স্বল্প খরচে বেশি লাভ করতে পারে, সে লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।
নেত্রকোনা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ নূরুজ্জামান বলেন, কয়েক বছর আগেও এলাকার কৃষকেরা বেগুন গাছে টমেটো কীভাবে চাষ করা যায়, তা জানতেন না। এই চাষ পদ্ধতি সহজ ও ফলন ভালো হয় এবং রোগবালাই কম। দাম বেশি পাওয়ায় এই পদ্ধতিতে টমেটো চাষে কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে। কৃষকদের কৃষি বিভাগ থেকে সার্বিক সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে।
Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত ©২০২৪ দৈনিক অনন্ত বাংলা
Theme Customized BY SHAKIL IT PARK