1. admin@anantabangla.com : admin :
শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:১০ পূর্বাহ্ন
অনন্ত বাংলা শিরোনাম :
একাত্তরের চেতনা এবং খাঁটি দেশপ্রেমের সংজ্ঞা চাটখিলে সম্পত্তি দখলের চেষ্টা, ভাংচুর, লুটপাট ও গাছ কাটার অভিযোগ ভান্ডারিয়ায় রং মিশিয়ে মাছ বিক্রি, ভিডিও করায় সাংবাদিককে হেনস্তার অভিযোগ চাটখিলে শত বছরের পুরনো ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজ দিয়ে চলাচল, ভেঙে পড়ার শঙ্কা! মারা গেছেন এনসিপি নেত্রী রাফিয়া সুলতানা হজ ব্যবস্থাপনার সাথে সরকারের ভাবমূর্তির প্রশ্ন জড়িত: ধর্মমন্ত্রী সেবার মান উন্নয়নে চাটখিল স্কয়ার হসপিটালে আধুনিক অটোমেশন ল্যাব: রোগীদের স্বস্তি চাটখিল সেন্ট্রাল হাসপাতালে ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় মা ও নবজাতকের জীবন সংকটাপন্ন অনিয়ম ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ: চাটখিলে দুই হাসপাতালকে অর্থদণ্ড চাটখিল সাংবাদিক ফোরামের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

নেত্রকোনায় বিদ্যালয়ের শুরু থেকেই প্রতীকী শহীদ মিনারেই শ্রদ্ধা

সোহেল খান দূর্জয়, নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি :
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
  • ১১৩ বার পঠিত
বিদ্যালয়ের শুরু থেকেই নেত্রকোনা জেলার বারহাট্টা উপজেলার সাবানিয়াকান্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কলাগাছ, কাঠ, কাগজ দিয়ে তৈরি করা প্রতীকী শহিদ মিনারেই শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে আসছেন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। ১৯৭৪ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিদ্যালয়ে বর্তমানে ১৯৬ জন নিয়মিত শিক্ষার্থী ও ছয়জন শিক্ষক কর্মরত আছেন। বিদ্যালয়টিতে জায়গার অভাব না থাকলেও আজ পর্যন্ত কোনো স্থায়ী শহিদ মিনার তৈরি করা হয়নি। এর ফলে বাধ্য হয়েই প্রতিবছর ২১ ফেব্রুয়ারিতে ভাষা দিবস উপলক্ষে প্রতীকী শহীদ মিনার তৈরি করে শহিদদের স্মরণে সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
এতে প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন অনুষ্ঠান থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অন্যদিকে শহীদ মিনার শূন্য বিদ্যালয়ের অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির আসার আগ্ৰহও অনেকটা কমে গেছে।সহকারী শিক্ষক তোফাজ্জল হোসাইন মানিক বলেন, ‘বিদ্যালয়ে শহিদ মিনার নির্মাণ করার মতো জায়গা আছে। শহিদ মিনার না থাকায় অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ করলেও অনেকে আসতে চান না। শিক্ষার্থীরা ফেব্রুয়ারি মাস এলেই বার বার শহিদ মিনার করার জন্য আবদার করে।
বিদ্যালয়ে পড়ুয়া শিক্ষার্থীর অভিভাবক বজলুর রহমান বলেন, ‘প্রতিবছর কলাগাছ, কাঠ, কাগজ দিয়ে শহিদ মিনার তৈরি করে একুশে ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠান করা হয়। স্থায়ী শহিদ মিনার নেই বলে দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের আগ্ৰহ নেই। এ বিদ্যালয়ে একটি শহিদ মিনার করা একান্ত প্রয়োজন। বারহাট্টা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘বিষয়টি আমি জেনেছি। যদি জায়গা ও পরিবেশ থাকে তবে শহিদ মিনার তৈরি করার চেষ্টা করা হবে। এ জন্য প্রতিষ্ঠান থেকে উদ্যোগ নিতে হবে। বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নিরঞ্জন বিশ্বশর্মা বলেন, ‘আমি কিছু দিন আগে বিদ্যালয়ে এসেছি। বিদ্যালয়ে একটি স্থায়ী শহিদ মিনার তৈরি করা জরুরি হয়ে পড়েছে। আমি এ জন্য শিগগিরই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করব।
Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত ©২০২৪ দৈনিক অনন্ত বাংলা
Theme Customized BY SHAKIL IT PARK