1. admin@anantabangla.com : admin :
শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫২ পূর্বাহ্ন
অনন্ত বাংলা শিরোনাম :
একাত্তরের চেতনা এবং খাঁটি দেশপ্রেমের সংজ্ঞা চাটখিলে সম্পত্তি দখলের চেষ্টা, ভাংচুর, লুটপাট ও গাছ কাটার অভিযোগ ভান্ডারিয়ায় রং মিশিয়ে মাছ বিক্রি, ভিডিও করায় সাংবাদিককে হেনস্তার অভিযোগ চাটখিলে শত বছরের পুরনো ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজ দিয়ে চলাচল, ভেঙে পড়ার শঙ্কা! মারা গেছেন এনসিপি নেত্রী রাফিয়া সুলতানা হজ ব্যবস্থাপনার সাথে সরকারের ভাবমূর্তির প্রশ্ন জড়িত: ধর্মমন্ত্রী সেবার মান উন্নয়নে চাটখিল স্কয়ার হসপিটালে আধুনিক অটোমেশন ল্যাব: রোগীদের স্বস্তি চাটখিল সেন্ট্রাল হাসপাতালে ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় মা ও নবজাতকের জীবন সংকটাপন্ন অনিয়ম ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ: চাটখিলে দুই হাসপাতালকে অর্থদণ্ড চাটখিল সাংবাদিক ফোরামের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

নেত্রকোনায় পাহাড়ি অঞ্চলে বিশুদ্ধ খাবার পানির তীব্র সংকট

দৈনিক অনন্ত বাংলা ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৩ মার্চ, ২০২৫
  • ৮৬ বার পঠিত
সোহেল খান দূর্জয় নেত্রকোনা :
নেত্রকোনার কলমাকান্দা ও দুর্গাপুর উপজেলার পাহাড় ঘেষা গ্রামগুলোতে বিশুদ্ধ খাবার পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। তাই বাধ্য হয়ে ছড়া, নালা ও কূপ থেকে পানি সংগ্রহ করছে এই দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলের নারী ও শিশুরা। এতে করে স্বাস্থ্য ঝুকিতে রয়েছে অবহেলিত এ জনপদের মানুষ। নেত্রকোনার কলমাকান্দা ও দুর্গাপুর উপজেলার পাহাড়ি গ্রামগুলোতে শুকনো মৌসুমে পানির এ তীব্র সংকট পুরোনো। কিন্তু এবারের সেই সংকট আরও বেড়েছে। পাহাড়ে প্রায় প্রতিটি ঘরে এখন বিশুদ্ধ খাওবার পানির জন্য হাহাকার চলছে। পাহাড়ি ছড়ার (নালা) ময়লাযুক্ত পানি অথবা টিলার নিচে তিন চাকের তৈরি অগভীর কূপের ঘোলা পানিই তাঁদের ভরসা।
কলমাকান্দা আটটি ইউনিয়নের মধ্যে লেংগুরা, খারনৈ ও রংছাতি ইউনিয়ন পাহাড়ি গ্রামে পানির অভাবে দৈনন্দিন জীবন ব্যাহত হচ্ছে। এসব এলাকায় প্রধানত গারো ও হাজং সম্প্রদায়ের মানুষের বসবাস। প্রায় ৩৫টি গ্রামে পানির সংকট দেখা দিয়েছে। নারীরা কাঁখে বা মাথায় কলসি নিয়ে দূর থেকে পানি সংগ্রহ করছেন। এক গ্রামের মানুষ অন্য গ্রামে গিয়ে গোসলও করছেন। এদিকে দুর্গাপুরে ভবানীপুর, বারমারি, বিজয়পুর, পাচকাহনিয়া, বেশ কয়টি  গ্রাম সহ গভীর নলকূপ না থাকার কারণেই সুপেয় পানির জন্য অনেকেই এক থেকে দুই কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে পানি সংগ্রহ করতে হয়। স্থানীয়রা জানান, আমাদের এই পানির সমস্যা আদিকাল থেকেই। আমরা খুব কষ্ট করে পানি সংগ্রহ করে থাকি এই পানি আবার ফুটিয়ে পান করতে হয় আমরা সব সময় স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে থাকি। আমাদের সরকারের কাছে আবেদন আমরা যাতে বিশুদ্ধ পানি খেতে পারি এই ব্যবস্থাটা যাতে আমাদের হয়। তাহলে আমরা সরকারের কাছে চির কৃতজ্ঞ থাকবো।
এদিকে বারসিকের আঞ্চলিক সমন্বয়কারী মোঃ অহিদুর রহমান তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, ২২ মার্চ বিশ্ব পানি দিবস। নেত্রকোনার সীমান্ত এলাকায় পানির জন্য হাহাকার চলে বছরের ৮ মাস। বাকী চার চলে দুর্যোগের পানির সাথে সংগ্রাম। সীমান্তের জনগোষ্ঠি পানির জন্য হাহাকার করেই জীবন চলে। দিন দিন পানির স্তর নীচে নেমে যাচ্ছে। পাহাড়ী ঝরনা থেকেও পানি আর আসেনা।সমতল কি সীমান্ত কি হাওর সবখানেই  নদী গুলোতে পানি নেই। জেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ মশিউর রহমান বলেন, কলমাকান্দা ও দুর্গাপুর উপজেলার পাহাড়ি অঞ্চলে বিশুদ্ধ খাবার পানির জন্য দশটি বাড়ির জন্য একটি গভীর নলকূপ স্থাপনের প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। অচিরেই এসব অঞ্চলে পানির সমস্যা দূর করা হবে।
Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত ©২০২৪ দৈনিক অনন্ত বাংলা
Theme Customized BY SHAKIL IT PARK