1. admin@anantabangla.com : admin :
শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:০৫ পূর্বাহ্ন
অনন্ত বাংলা শিরোনাম :
একাত্তরের চেতনা এবং খাঁটি দেশপ্রেমের সংজ্ঞা চাটখিলে সম্পত্তি দখলের চেষ্টা, ভাংচুর, লুটপাট ও গাছ কাটার অভিযোগ ভান্ডারিয়ায় রং মিশিয়ে মাছ বিক্রি, ভিডিও করায় সাংবাদিককে হেনস্তার অভিযোগ চাটখিলে শত বছরের পুরনো ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজ দিয়ে চলাচল, ভেঙে পড়ার শঙ্কা! মারা গেছেন এনসিপি নেত্রী রাফিয়া সুলতানা হজ ব্যবস্থাপনার সাথে সরকারের ভাবমূর্তির প্রশ্ন জড়িত: ধর্মমন্ত্রী সেবার মান উন্নয়নে চাটখিল স্কয়ার হসপিটালে আধুনিক অটোমেশন ল্যাব: রোগীদের স্বস্তি চাটখিল সেন্ট্রাল হাসপাতালে ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় মা ও নবজাতকের জীবন সংকটাপন্ন অনিয়ম ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ: চাটখিলে দুই হাসপাতালকে অর্থদণ্ড চাটখিল সাংবাদিক ফোরামের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

নেত্রকোণায় ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মাণে ধীরগতি, দুশ্চিন্তায় চাষিরা

সোহেল খান দূর্জয়, নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি:
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
  • ১৫৮ বার পঠিত
চলতি বছরে নির্ধারিত সময়ে ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মান কাজ পিছিয়ে যাওয়ায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন নেত্রকোণা হাওরাঞ্চলের কৃষকরা। বেশকিছু পিআইসির (প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি) কাজের অগ্রগতি ভালো হলেও অধিকাংশ বাঁধেই কাজ চলছে ধীর গতিতে। সেইসাথে গত কয়েক বছর পিআইসি সদস্যদের প্রভাবে বাঁধের কাছ থেকে মাটি উত্তোলন করায় সেগুলো এখন বাধেঁর জন্যই মারাত্মক হুমকি হয়েছে। তবে বাঁধ নির্মাণের অগ্রগতি সন্তোষজনক এবং সময় মতোই শেষ হবে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড ও জেলা প্রশাসন। জানা গেছে, মদন, মোহনগঞ্জ, খালিয়াজুরী, কলমাকান্দা, আটপাড়া ও বারহাট্টার আংশিক এলাকা নিয়ে নেত্রকোনার হাওরাঞ্চল গঠিত। প্রতিবছর হাওরে আগাম বন্যায় ফসল হানির শঙ্কায় থাকতে হয় কৃষকদের। এরমধ্যে এসব এলাকায় বোরো আবাদ শেষ করেছেন কৃষকরা, এখন চলছে পরিচর্যা। হাওরের একমাত্র ফসল রক্ষায় পানি উন্নয়ন বোর্ড ও উপজেলা প্রশাসনের সমন্বয়ে প্রতিবছরই নির্মান করা হয় অসংখ্য ডুবন্ত বাঁধ। এতে ব্যয় হয় কোটি কোটি টাকা। প্রায় দীর্ঘদিন প্রকৃত কৃষকদের বাদ দিয়ে ব্যবসায়ীদের এবং একই পিআইসি সম্পৃক্ত হলেও চলতি বছরে নতুন পিআইসি (প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি) গঠন করায় প্রক্রিয়ায় কাজ কিছুটা পিছিয়েছে। এতে বেশকিছু বাঁধের কাজ আশানরূপ অগ্রগতি হলেও অনেক বাঁধে তা এখনও পিছিয়ে। এতেই দুশ্চিন্তায় রয়েছেন চাষিরা।
মোহনগঞ্জ উপজেলার গাগলাজুর ইউনিয়নের কামালপুর, জালালপুর, গাগলাজুরসহ হাওরের একাধিক কৃষক ও হাইজদা হাওর উন্নয়ন কমিটির সভাপতি মোর্শেদ আলম রঞ্জুল বলেন, এক সময় হাওরে একমাত্র ফসল ধান হলেও এখন ধানের পাশাপাশি নানা জাতের সবজির আবাদ হচ্ছে। এর মাঝে মিষ্টি কুমরা অন্যতম। হাওরের বাঁধগুলো নির্মানের ফলে গত কয়েক বছর ফসল হানি তেমন হয়নি। তবে বাঁধ নির্মান নিয়ে হয়েছে অনিয়ম। যেমন জেলার মোহনগঞ্জ উপজেলার সবচেয়ে বড় বাঁধ চর হাইজদায় বেশকিছু অংশ স্থায়ী করা হয়েছে। বাকি অংশে গেল কয়েক বছর (পিআইসি) প্রভাব খাটিয়ে বাঁধের খুব কাছ থেকে মাটি উত্তোলন করেছে। যা এখন হুমকি হয়ে দাড়িয়েছে। সেগুলো ভরাট করা খুব জরুরী। অন্যথায় কোটি কোটি টাকার বাঁধ নির্মাণ হলেও বাঁধ ভেঙে ফসল হানির অশঙ্কা রয়েই যাবে। সময় মতো বাঁধ নির্মান শেষ করতে সকল পিআইসি ও সংস্লিষ্ট কর্মকর্তাদের যথাযথ পদক্ষেপও আশা করছেন কৃষকরা। তবে সময়মতো কাজ শেষ করার কথা বলছে নতুন পিআইসির সদস্যরা।
হাইজদা বাঁধের একাংশের সভাপতি প্রকৃত কৃষক কাজী ইউসূফ ও সদস্য সচিব কৃষক মো. বাহারুল আলম জানান, কাজ পিছিয়ে শুরু করলেও এখানকার কাজ নির্ধারিত সময়ের আগেই শেষ হবে ইনশাল্লাহ। কিন্ত গত কয়েক বছর বাঁধের কাছে মাটি তোলায় এখন বিশাল গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। হাইজদা বাঁধ হাওরের একটি গুরুত্বপূর্ণ বাঁধ। এটিতে ক্ষতিগ্রস্থ হলে পুরো জেলার ফসল হানির শঙ্কা থাকে। গত বছর ১৮০টি (পিআইসি) হলেও এবার বাড়িয়ে ১৯১টি পিআইসির মাধ্যমে ১৪৬ কিলোমিটার বাঁধ মেরামতে উদ্যোগ নিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। বর্তমান পরিস্থিতিতে কাজ পেছালেও সময় মতোই শেষ হবে বলে নিশ্চিত করেছেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সারোয়ার জাহান। তিনি বলেন, হাওরে বাঁধ নির্মাণ কাজ চলছে অগ্রগতি এখন পর্যন্ত সন্তোষজনক। সার্বক্ষনিক নজরদারি করা হচ্ছে। সময়মতো কাজ শেষ হবে। নেত্রকোণা জেলায় (অস্থায়ী) ডুবন্ত বাঁধ রয়েছে ৩৬৫ কিলোমিটার। এরমাঝে চলতি বছর প্রায় ৩১ কোটি টাকা ব্যায়ে ১৪৬ কিলোমিটার বাঁধ মেরামত করা হচ্ছে। বাঁধগুলো আগামী মার্চের প্রথম সপ্তাহেই শেষ হওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তবে ঝুকিপূর্ণ স্থানগুলো পুনরায় ভরাট প্রক্রিয়ায় পদক্ষেপ গ্রহন করবে পানি উন্নয়ন বোর্ড। এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয়দের।
Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত ©২০২৪ দৈনিক অনন্ত বাংলা
Theme Customized BY SHAKIL IT PARK