1. admin@anantabangla.com : admin :
শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:১০ পূর্বাহ্ন
অনন্ত বাংলা শিরোনাম :
একাত্তরের চেতনা এবং খাঁটি দেশপ্রেমের সংজ্ঞা চাটখিলে সম্পত্তি দখলের চেষ্টা, ভাংচুর, লুটপাট ও গাছ কাটার অভিযোগ ভান্ডারিয়ায় রং মিশিয়ে মাছ বিক্রি, ভিডিও করায় সাংবাদিককে হেনস্তার অভিযোগ চাটখিলে শত বছরের পুরনো ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজ দিয়ে চলাচল, ভেঙে পড়ার শঙ্কা! মারা গেছেন এনসিপি নেত্রী রাফিয়া সুলতানা হজ ব্যবস্থাপনার সাথে সরকারের ভাবমূর্তির প্রশ্ন জড়িত: ধর্মমন্ত্রী সেবার মান উন্নয়নে চাটখিল স্কয়ার হসপিটালে আধুনিক অটোমেশন ল্যাব: রোগীদের স্বস্তি চাটখিল সেন্ট্রাল হাসপাতালে ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় মা ও নবজাতকের জীবন সংকটাপন্ন অনিয়ম ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ: চাটখিলে দুই হাসপাতালকে অর্থদণ্ড চাটখিল সাংবাদিক ফোরামের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

কেন্দুয়া ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নিয়োগ ও বাতিল: বিতর্কের জন্ম

সোহেল খান দূর্জয়, নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি :
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
  • ১৯৬ বার পঠিত
নেত্রকোনার কেন্দুয়া ডিগ্রি কলেজ সম্প্রতি সরকারি হওয়ার পর ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নিয়োগ ও বাতিলের একটি ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা চলছে। জানা যায়, ৪ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) সকালে কলেজের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শফিকুল আলমকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। তবে, একই দিন বিকেলে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতর থেকে আরেকটি পত্রের মাধ্যমে এই নিয়োগ আদেশটি বাতিল করা হয়। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের সহকারী পরিচালক (কলেজ-১) মুহাম্মদ সফিউল বশর স্বাক্ষরিত দুটি পৃথক পত্র থেকে এই তথ্য জানা যায়। তবে কী কারণে এই নিয়োগ আদেশটি বাতিল করা হয়েছে, তা বাতিল আদেশের পত্রে উল্লেখ করা হয়নি। ফলে এই ঘটনা নিয়ে এলাকায় নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
কেন্দুয়া ডিগ্রি কলেজের সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ জাহাঙ্গীর হোসেন তালুকদার অবসর গ্রহণ করার পর থেকে পদটি শূন্য ছিল। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের এক পত্রের নির্দেশনা অনুযায়ী, কলেজের জ্যেষ্ঠ শিক্ষক হিসেবে শফিকুল আলমকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব দেওয়া হয়। এ বিষয়ে সকালেই এক অফিস আদেশ জারি করা হয়। কিন্তু বিকেলে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের আরেকটি পত্রে সেই আদেশ বাতিল করা হয়, যা নিয়ে কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।নিয়োগ বাতিলের ঘটনায় হতাশা প্রকাশ করে সহকারী অধ্যাপক শফিকুল আলম বলেন, “সকালে নিয়ম অনুযায়ী আমাকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বিকেলে কোনো কারণ ছাড়াই সেই আদেশ বাতিল করা হয়। কেন তা হলো, সে বিষয়ে আমার কাছে কোনো তথ্য নেই।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় নানা মতামত ছড়িয়ে পড়েছে। শিক্ষাপ্রেমী এবং স্থানীয় শিক্ষা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করেন, কলেজের জ্যেষ্ঠ শিক্ষক হিসেবে শফিকুল আলম নিয়মতান্ত্রিক ভাবেই ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব পাওয়ার যোগ্য ছিলেন। কিন্তু তাকে সকালেই নিয়োগ দিয়ে বিকেলে সেই আদেশ বাতিল করা অনেকের কাছে অসঙ্গতিপূর্ণ এবং অপমানজনক বলে মনে হয়েছে।একজন স্থানীয় শিক্ষাবিদ মন্তব্য করেন, “শফিকুল আলম একজন দক্ষ শিক্ষক। নিয়ম অনুযায়ী তাকে নিয়োগ দেওয়া হলেও কেন সেই আদেশ হঠাৎ বাতিল করা হলো, তা স্পষ্ট নয়। এরকম পদক্ষেপ একজন শিক্ষকের মর্যাদার সাথে মানানসই নয়।”।নিয়োগ ও বাতিলের এই দ্বৈত সিদ্ধান্তে কলেজের প্রশাসনিক কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন অনেকেই। শিক্ষার্থীদের মধ্যেও বিষয়টি নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। তারা মনে করছেন, এই ধরনের অস্থিরতা শিক্ষার পরিবেশের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে, শিক্ষাবিদ ও সাধারণ মানুষ আশা করছেন, বিষয়টির দ্রুত সমাধান হবে এবং কলেজের শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় থাকবে।
Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত ©২০২৪ দৈনিক অনন্ত বাংলা
Theme Customized BY SHAKIL IT PARK