1. admin@anantabangla.com : admin :
শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫৩ পূর্বাহ্ন
অনন্ত বাংলা শিরোনাম :
একাত্তরের চেতনা এবং খাঁটি দেশপ্রেমের সংজ্ঞা চাটখিলে সম্পত্তি দখলের চেষ্টা, ভাংচুর, লুটপাট ও গাছ কাটার অভিযোগ ভান্ডারিয়ায় রং মিশিয়ে মাছ বিক্রি, ভিডিও করায় সাংবাদিককে হেনস্তার অভিযোগ চাটখিলে শত বছরের পুরনো ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজ দিয়ে চলাচল, ভেঙে পড়ার শঙ্কা! মারা গেছেন এনসিপি নেত্রী রাফিয়া সুলতানা হজ ব্যবস্থাপনার সাথে সরকারের ভাবমূর্তির প্রশ্ন জড়িত: ধর্মমন্ত্রী সেবার মান উন্নয়নে চাটখিল স্কয়ার হসপিটালে আধুনিক অটোমেশন ল্যাব: রোগীদের স্বস্তি চাটখিল সেন্ট্রাল হাসপাতালে ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় মা ও নবজাতকের জীবন সংকটাপন্ন অনিয়ম ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ: চাটখিলে দুই হাসপাতালকে অর্থদণ্ড চাটখিল সাংবাদিক ফোরামের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

কেন্দুয়ায় প্রবাসী’র বিরুদ্ধে গাছ কাটার অভিযোগ; তদন্তে ব্যক্তি মালিকানার প্রমাণ

সোহেল খান দূর্জয় নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি:
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৫
  • ১২০ বার পঠিত
নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় মোজাফরপুর গ্রামের আমেরিকা প্রবাসী লুৎফর রহমান আলী বাবুলের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে। গত ১৫ জানুয়ারি পশ্চিম মোজাফরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক উম্মে হাবিবা সাথি কেন্দুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইমদাদুল হক তালুকদারের বরাবর এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন।
প্রধান শিক্ষক উম্মে হাবিবা সাথি’র সাতে কথা বলে জানা যায, ওইদিন সকালে মোজাফরপুর পশ্চিমপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি বড় রেন্ট্রি গাছ কাটার খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে যান। সেখানে তিনি খোকন পাল নামে একজন কাঠুরিয়াকে গাছ কাটতে দেখেন। কারণ জানতে চাইলে, কাঠুরিয়া জানান যে লুৎফর রহমান আলী বাবুল ও মো. রশিদ মিয়া গাছ কাটার নির্দেশ দিয়েছেন। প্রধান শিক্ষক কাঠুরিয়াকে গাছ কাটা বন্ধ করতে বললে কাঠুরিয়া গাছ কাটা বন্ধ করেন। এরপর উম্মে হাবিবা সাথি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। এ বিষয়ে প্রবাসী লুৎফর রহমান আলী বাবুলের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি গাছ কাটানোর বিষয়টি স্বীকার করেন।
তিনি বলেন, “আমি দীর্ঘদিন ধরে আমেরিকায় অবস্থান করছি। এই সময়ে আমার পৈত্রিক এবং ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি প্রতারণামূলক দলিলের মাধ্যমে কিছু ব্যক্তি শিক্ষাবিভাগের নামে হস্তান্তর করেছে। যা সম্পূর্ণ বেআইনি। প্রকৃত মালিক হিসেবে আমি ২০২৩ সালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে লিখিত আবেদন করি। যেই জমিতে গাছটি ছিল, সেটি আমার ব্যক্তিগত সম্পত্তি ও গাছটিও আমার। গাছের কারণে আমার কৃষিজমিতে ফসলের ক্ষতি হচ্ছিল, তাই কিছু ডালপালা কাটিয়েছি।” কেন্দুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইমদাদুল হক তালুকদার জানান, প্রধান শিক্ষকের অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি তদন্ত করা হয়েছে। তদন্তে দেখা গেছে, গাছটি যেই জমিতে ছিল, সেটি ব্যক্তি মালিকানাধীন। জমির মালিকানার দাবি সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট পক্ষকে ডেকে আলোচনা করা হয়েছে। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) উভয়পক্ষকে নিয়ে ন্যায়সঙ্গত সিদ্ধান্ত গ্রহণের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত ©২০২৪ দৈনিক অনন্ত বাংলা
Theme Customized BY SHAKIL IT PARK