
সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় ঘটে যাওয়া এক চাঞ্চল্যকর ছাগল চুরির ঘটনায় নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ার মুক্তি পেল নিরীহ দুই যুবক। মঙ্গলবার রাতেই তাদের দক্ষিণ সুরমা থানা থেকে মুক্তি দেওয়া হয়। উল্লেখ্য যে, মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর ২০২৫ইং) বিকাল সাড়ে তিন টার দিকে মোগলাবাজার থানাধীন খালেরমুখ এলাকার পারভেজ (২০), পিতা- মৃত-হেলক মিয়া, সাং ডুংশ্রী, ইউপি সিলাম, থানা- মোগলাবাজার, উপজেলা- দক্ষিণ সুরমা, জেলা- সিলেট এবং দেলোয়ার হোসেন (২১), পিতা- ফয়জুল ইসলাম, সাং ডুংশ্রী, সিলাম, থানা- মোগলাবাজার, উপজেলা- দক্ষিণ সুরমা, জেলা- সিলেটের এর বিরুদ্ধে সিলেট-থ-১২-২৫৬৬ নম্বরের একটি সিএনজি অটোরিকশায় করে নিয়ে যাচ্ছিলো চুরির ছাগল বলে অপপ্রচার চালায় ফেসবুক লাইভার এক প্রতারক চক্র। ঘটনাটি ঘটে ওই দিন বিকাল সাড়ে ৪.০০ ঘটিকার সময় দক্ষিণ সুরমার মার্কাস পয়েন্ট, প্রত্যেক সূত্রে জানা যায়, ওই এলাকায় সিএনজিটি এলাকায় পৌঁছালে ট্রাফিক পুলিশ তাদেরকে ছাগলসহ আটক করে ড্রাইভার ও গাড়িতে থাকা আরও একজন যাত্রীকে।
গাড়ি চালকের বক্তব্যে জানা যায়, ওই দিন বেলা ৩টার দিকে তারা গাড়ি নিয়ে খালোমুখ বাজার থেকে শহরের দিকে আসছেন। পথমধ্যে দক্ষিণ সুরমা উপজেলা স্বাস্থ্য কপ্লেক্স এলাকায় আসা মাত্র এক যুবক সিগন্যাল দিলে চালক সে গাড়িটি থামিয়ে তাকে উঠালে পথমধ্যে শিববাড়ি বাজারে আসা মাত্র তারসহযোগী আরও এক যুবক ও এক মহিলা উঠেন সাথে একটি ছাগল নিয়ে,তারা কাজির বাজার যাবেন বলে আমাকে রিজার্ভ করেন, কিন্তু মার্কাস পয়েন্টে আসার আগেই পুলিশ দেখামাত্র ছাগল রেখে পালিয়ে যায়। সেই মহুর্তে পুলিশ তল্লাশি চালিয়ে ছাগল পায়। সেখানে আমাদের জীম্মি করে পাসানো হয়েছে বলে দাবী করেন। সূত্রে জানা যায়, সিএনজিতে যে ছাগলটি রেখে পালিয়ে যায়, সে যুবকের নাম রাণা, এ চক্রটি দক্ষিণ সুরমা এলাকায় দীর্ঘ দিন ধরে গরু, ছাগল, পানির মটর চুরি ও ছিনতাই করে আসছে। ইতিপূর্বে রাণা নামের এক ছিনতাই কারী দক্ষিণ সুরমার বাবনা পয়ন্টে গণধোলাইর শিকার হয়ে থাকে। এ চক্র নিজের অপকর্ম আড়াল দিতে ফেসবুক লাইভ সাংবাদিকতার নামের পেইজ দিয়ে সিলেটের সাধারণ মানুষের ব্ল্যাকমেইল করে আসছে দীর্ঘ দিন ধরে।
সূত্রে আরো জানা যায়, (১১ নভেম্বর ২০২৫ইং) দক্ষিণ সুরমার মার্কাস পয়েন্ট থেকে যে গাড়ি আটক করা হয় তা উদ্দেশ্যে প্রনোদিত করে পরিকল্পনা করে থাকে ফেসবুক লাইভার চক্র, এ চক্রে বিরুদ্ধে সাপ্তাহিক বৈচিত্র্যময় সিলেট ইতিপূর্বে ধারাবাহিক সংবাদ প্রকাশ করে থাকে। ওই গাড়িটি‘র মালিক ২০১৯ সালে গ্যাফ সেইল রিসিটে (স্ট্যাম্পের) মাধ্যমে বিক্রি করে দেন গোলাপগঞ্জ উপজেলার মনির নামের এ ব্যক্তির কাছে। তিনি আর্থিক অস্বচ্ছলতার কারণে উক্ত নাম্বার ধারী সিএনজিটি নিজের নামে ট্রান্সফার করতে পারেন নি বলে জানান। বর্তমান গাড়ির মালিকের সাথে কথা বলে তিনি জানান, গাড়ি আমি ক্রয় করেছি ২০১৯ সালে আমি বিভিন্ন কারণে নাম ট্রান্সফার করতে পারিনি। এখানে যারা পত্রিকার নাম ব্যবহার করে ফেসবুক লাইভ করেছেন এরা একটি প্রতারক চক্র। তারা নিজেই ছাগল চুরি করে আমার গাড়িতে উঠেছে, আবার তারাই পুলিশ ডেকে ব্ল্যাকমেই করেছে বলে জানান তিনি।
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ শরীফ। নির্বাহী সম্পাদক : তাসেরা তাজরীন। বার্তা সম্পাদক : মোহাম্মদ আমান উল্যা।সম্পাদক ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: এমএস প্লাজা (৩য় তলা)২৭/সি/২ টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০।
তুহিন প্রেস ২১৯/২, ফকিরাপুল (১ম গলি), মতিঝিল হতে মুদ্রিত। ফোন: +৮৮-০২-৪১০৫২৪৯৪, মোবাইল: ০১৯৭১-৮৪২৩৬৫, ০১৭১১৮৪২৩৬৫, বার্তা: ০১৭৩১-৮৫৭১৮৬ ,anantabanglanews24@gmail.com
Copyright © 2026 দৈনিক অনন্ত বাংলা. All rights reserved.