প্রিন্ট এর তারিখঃ অক্টোবর ২, ২০২৬, ৭:৩৪ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৫, ৬:০০ অপরাহ্ণ
লংগদুতে ফসলি জমিতে পানির সেচ নিয়ে দ্বন্দ্ব

রাঙ্গামাটির লংগদু উপজেলার আটারকছড়া ইউনিয়নের কাউয়ামারা বিলে কৃষি জমিতে পানি সেচ দেওয়া নিয়ে দুপক্ষের মাঝে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়েছে। সেচের পানি না পাওয়া ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক মানিক মিয়া ও তার ছেলে মোরশেদ আলম অভিযোগ করে বলেন,আমাদের জমির পাশে দিয়ে জমির পানির জন্য সরকারি টাকায় ড্রেন নির্মান করেছে অথচ আমরা পানি পাচ্ছি না। এবিষয়ে কাজ করার সময়ে আমরা নানান জায়গায় অভিযোগ করেও প্রতিকার না পেয়ে এখন মামলা করেছি। কাজ করার সময় তাহারা আমাদের কাছে এক লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে আমরা চাঁদা না দেওয়ায় আমাদের সেচের পানির সুবিধার বাহিরে রাখা হয়েছে এতে করে প্রতিবছর আমাদের প্রায় ৩'শ মন ধান নষ্ট হচ্ছে।
স্থানীয়রা জানায় গত ২৩/২৪ অর্থবছরে লংগদু উপজেলার কাউয়ামারা বিলে প্রায় ২০ পরিবারের লোকজন রেজুলেশনের মাধ্যমে, কৃষি জমিতে পানি সেচ দেওয়ার জন্য সরকারী একটি পাকা ড্রেন তৈরী করে। ড্রেন তৈরীর সময় কারো কোন অভিযোগ না থাকলেও এখন এসে নানান অভিযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
আটারকছড়া ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্যা লাইজু বেগম ও তার ছেলে জুয়েল বলেন, আমাদের আশেপাশে বিভিন্ন চাষীদের সাথে কথা বলে রেজুলেশনের মাধ্যমে খরচাপাতি দিয়ে আমরা পাকা ড্রেন নিয়ে আসি। তখন পাশ্ববর্তী মানিক মিয়াকে ড্রেনের রেজুলেশনে আমাদের সাথে আসতে বল্লে তিনি আসেনি। মানিক বলেছিলো ড্রেন হলে পানি এমনিতেই পাবো। এরপরে ড্রেনের কাজ শেষ হলে, তারা জোরপূর্বক পানি নিতে চায়। পানি নিতে না পেরে বিভিন্ন জায়গায় আমাদের বাদী করে বিচার দেয় এমনকি বর্তমানে সে একটি মামলাও করে। তাদের অন্য পাশে ড্রেন তৈরী করতে আমরা সহযোগীতা করবো বল্লেও তারা রাজি হয়নি। চাঁদার বিষয়ে জানতে চাইলে তারা বলেন,চাঁদার দাবির বিষয়ে আমরা অবগত কিংবা সম্পৃক্ত নয়।
ড্রেন নির্মান প্রকল্পের প্রজেক্ট চেয়ারম্যান চান মিয়া বলেন,আমরা কৃষকের জন্য পানি না পাওয়ায় ড্রেন নির্মান করি যাতে কৃষকেরা সুবিধা পায়,আর যেখানে বর্তমানে ড্রেন নির্মান সেখানে প্রায় সাত জন কৃষকের জমি রয়েছে, পাশ্ববর্তী জমির পাশে দিয়ে একটি ড্রেন গিয়েছে সেখান থেকে তাদের পানির ড্রেন নিতে বল্লে তারা অস্বীকৃতি জানালে তাদের আর সেচের আওতায় আনা সম্ভব হয়নি।
তবে এখনো তাদের বলেছি প্রয়োজনে নিজেরা খরচাপাতি বহন করে তাদের কে পাশের ড্রেন হতে পানি নেওয়ার ব্যবস্থা করে দেই কিন্তু তারা তাতেও রাজি নয়।
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ শরীফ। নির্বাহী সম্পাদক : তাসেরা তাজরীন। বার্তা সম্পাদক : মোহাম্মদ আমান উল্যা।সম্পাদক ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: এমএস প্লাজা (৩য় তলা)২৭/সি/২ টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০।
তুহিন
প্রেস ২১৯/২, ফকিরাপুল (১ম গলি), মতিঝিল হতে মুদ্রিত। ফোন:
+৮৮-০২-৪১০৫২৪৯৪, মোবাইল: ০১৯৭১-৮৪২৩৬৫, ০১৭১১৮৪২৩৬৫, বার্তা: ০১৭৩১-৮৫৭১৮৬
,anantabanglanews24@gmail.com
Copyright © 2026 দৈনিক অনন্ত বাংলা. All rights reserved.