প্রিন্ট এর তারিখঃ অক্টোবর ১৭, ২০২৬, ৫:৩৭ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ অক্টোবর ১১, ২০২৬, ৭:০৩ পি.এম
রুহিয়ায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে দুই ভাইকে গ্রেপ্তারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে থানা ঘেরাও ও বিক্ষোভঃ

আহসান হাবিব রুবেল।
ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি- দৈনিক অনন্ত বাংলা।
গাঁওয়ের রুহিয়ায় জমি কেনাবেচা ও আর্থিক লেনদেনকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে এক মারামারির ঘটনা ঘটেছিল। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে আসামিদের আটকের খবর ছড়িয়ে পড়লে রুহিয়া থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে তাদের পরিবার ও সমর্থকরা। এতে এলাকা জুড়ে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরবর্তীতে পুলিশ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের যৌথ হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১৪ লাখ টাকা মূল্যে একটি জমি ক্রয়ের সমঝোতায় প্রাথমিকভাবে ৫ লাখ টাকা বায়না হিসেবে দেওয়া হয়েছিল। নির্ধারিত চুক্তি অনুযায়ী বকেয়া টাকা পরিশোধ ও রেজিস্ট্রি সম্পাদনের বিষয়টি ভেস্তে যায়। এর জের ধরে জমি দখল ও পূর্বশত্রুতার কারণে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসার উদ্যোগ নেওয়া হলেও কোনো সমঝোতা হয়নি। তবে নির্বাচনের পরে বিষয়টি নিয়ে মীমাংসা হওয়ার কথা ছিল বলে বিভিন্ন মাধ্যমে জানা যায়।
সংঘর্ষের ঘটনায় ভুক্তভোগী নাজমীন আক্তার বাদী হয়ে রুহিয়া থানায় একটি মামলা (মামলা নং-০৩ তারিখ ১০/১০/২০২৬) দায়ের করেন। মামলার প্রেক্ষিতে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে বেলাল হোসেন (৩৫) ও বদিউজ্জামান (৪০) নামের দুই ভাইকে আটক করে পুলিশ। তারা রুহিয়া থানার কুজিশহর ঘুরনগাছ এলাকার মৃত সফির উদ্দিনের ছেলে।
এদিকে, গ্রেফতারের খবর এলাকায় পৌঁছালে আসামিপক্ষের সমর্থক ও স্থানীয় একটি দল ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। তারা আসামিদের অনতিবিলম্বে মুক্তির দাবিতে রুহিয়া থানা চত্বর ঘেরাও করে বিক্ষোভ শুরু করে। এতে কিছু সময়ের জন্য থানা এলাকায় থমথমে অবস্থা ও চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিকে রাখতে পুলিশ তাৎক্ষণিক নিরাপত্তা জোরদার করে। একইসঙ্গে স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও মুরুব্বিরা বিক্ষুব্ধ জনতাকে শান্ত করেন এবং দেশের প্রচলিত আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার আহ্বান জানান।
রুহিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মিলাদুন নবী জানান, ফৌজদারি অপরাধ ও মারামারির লিখিত এজাহারের ভিত্তিতেই আইন অনুযায়ী মামলা রুজু করে আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উত্তেজিত কিছু মানুষ থানার সামনে এসে মব সৃষ্টি করার চেষ্টা করে। পরে বিএনপির সভাপতিসহ সিনিয়র নেতৃবৃন্দের হস্তক্ষেপে বিষয়টি ভুল বুঝাবুঝির অবসান হয়। রাতে সরাসরি আদালতে পাঠানোর সুযোগ না থাকায় সকালে তাদের চালান দেওয়া হয়।
ঘুষ গ্রহণ ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত গ্রেপ্তারের অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে পুলিশ।
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ শরীফ। নির্বাহী সম্পাদক : তাসেরা তাজরীন। বার্তা সম্পাদক : মোহাম্মদ আমান উল্যা।সম্পাদক ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: এমএস প্লাজা (৩য় তলা)২৭/সি/২ টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০।
তুহিন
প্রেস ২১৯/২, ফকিরাপুল (১ম গলি), মতিঝিল হতে মুদ্রিত। ফোন:
+৮৮-০২-৪১০৫২৪৯৪, মোবাইল: ০১৯৭১-৮৪২৩৬৫, ০১৭১১৮৪২৩৬৫, বার্তা: ০১৭৩১-৮৫৭১৮৬
,anantabanglanews24@gmail.com
Copyright © 2026 দৈনিক অনন্ত বাংলা. All rights reserved.