
ভোলার তজুমদ্দিনে গলায় রশি পেঁচানো ঝুলন্ত অবস্থায় মোঃ আব্দুর রহিম (১৩) নামের শিশু শ্রমিকের লাশ উদ্ধার। মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) বিকাল ৪ টার দিকে উপজেলার শম্ভুপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড চর কোরালমারা গ্রামে জুলফিকার আলী ভুট্টোর মুরগির খামারে এই ঘটনা ঘটে।
রহিম উপজেলার শশীগঞ্জ এলাকার মো. নাগর মাঝি ও মোসাঃ ফুলজান বেগম দম্পতির ৫ম সন্তান। শম্ভুপুর ইউনিয়ন ৫ নম্বর ওয়ার্ডের জুলফিকার আলী ভুট্টোর মুরগির খামারে শ্রমিকের কাজ করে।
নিহতের “মা” জানিয়েছেন, রহিম গত ২ বছর যাবত জুলফিকার আলী ভুট্টো (৫৫) এর মুরগির খামারে কাজ করে। বিকাল আনুমানিক ৪ টার সময় জুলফিকার আলী মোবাইল ফোনের মাধ্যমে আমার স্বামীকে জানিয়েছেন রহিম গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। আমার স্বামী তাৎক্ষণিক চট্টগ্রাম থেকে আমাকে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে জানালে আমি আমার নিকট আত্মীয়-স্বজন নিয়ে ঘটনাস্থলে হাজির হয়ে দেখি আমার ছেলে রাস্তার পাশে উত্তর শিহরী অবস্থায় কালো চাদর দ্বারা ঢাকা আছে। আমি উক্ত চাদর সরিয়ে দেখি আমার ছেলে রহিম (১৩) এর নাক দিয়ে রক্ত পরে এবং গলার বাম পাশে ০২টি কালো শিরা দাগ আছে। পরবর্তীতে আমি জানতে পারি যে, স্থানীয় মোঃ হাসান (৭) ঘটনাস্থলে গিয়ে আমার ছেলে রহিম (১৩) এর পা মুরগির ফার্মের নিচ দিয়ে ঝুলতে দেখে ডাক চিৎকার করে। তখন মোঃ হাসানের ডাক চিৎকার শুনে জুলফিকার আলী ভুট্টুর ছেলে ফরহাদ দৌড়ে ঘটনাস্থলে এসে আমার ছেলে রহিম (১৩) কে গলায় ফাঁস দেয়া অবস্থায় দেখে স্থানীয় লোকজনদের সহযোগীতায় মৃত অবস্থায় উদ্ধার করেন। পরে থানায় সংবাদ দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ ময়না তদন্তের জন্য ভোলা মর্গে প্রেরণ করে। এ ঘটনায় আমি বাদী হয়ে তজুমদ্দিন থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করেছি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে তজুমদ্দিন থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ভোলা মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। ময়না তদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ শরীফ। নির্বাহী সম্পাদক : তাসেরা তাজরীন। বার্তা সম্পাদক : মোহাম্মদ আমান উল্যা।সম্পাদক ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: এমএস প্লাজা (৩য় তলা)২৭/সি/২ টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০।
তুহিন প্রেস ২১৯/২, ফকিরাপুল (১ম গলি), মতিঝিল হতে মুদ্রিত। ফোন: +৮৮-০২-৪১০৫২৪৯৪, মোবাইল: ০১৯৭১-৮৪২৩৬৫, ০১৭১১৮৪২৩৬৫, বার্তা: ০১৭৩১-৮৫৭১৮৬ ,anantabanglanews24@gmail.com
Copyright © 2026 দৈনিক অনন্ত বাংলা. All rights reserved.