প্রিন্ট এর তারিখঃ অক্টোবর ২, ২০২৬, ৫:১৮ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ অক্টোবর ২৮, ২০২৫, ২:৪৩ অপরাহ্ণ
টিউশনিতে যাওয়ার পথে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) অনুজীব বিজ্ঞান বিভাগের এক শিক্ষার্থী টিউশনির বাসায় যাওয়ার সময় শ্লীলতাহানির শিকার হয়েছেন। রাজধানীর গেন্ডারিয়া এলাকায় ঘটনাটি ঘটে।
এ ঘটনায় আজ সোমবার (১৯ অক্টোবর) বেলা ১০টার দিকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অভিযুক্ত সিফাতকে আটক করে।
ফিন্যান্স বিভাগের ২০২০-২১ সেশনের শিক্ষার্থী আল শাহরিয়ার শাওন বলেন, “গতকাল রাতে আমি সিফাতকে মেসেজ দিয়েছিলাম জুয়েলারি ব্যবসা করবো বলে। তার একটি ব্যবসায়িক পেজ আছে। সকাল বেলা ব্যবসায়িক চুক্তির জন্য তাকে পুরান ঢাকার লোহারপুলে ডাকি। এরপর সেখান থেকে তাকে ধরে নিয়ে গেন্ডারিয়া থানায় সোপর্দ করি। আমরা চাই, এই ছেলের আইনানুগ উপযুক্ত বিচার হোক।”
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থী জানান, তিনি গেন্ডারিয়া থানাধীন ১১৯/ডি/৩, ডিস্টিলারি রোড এলাকার মো. নাসির হোসেনের বাসায় তার সন্তানকে প্রাইভেট পড়ান। আজ আনুমানিক রাত ৮ টায় ওই বাসায় পড়াতে যাওয়ার সময় অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তি তাকে অনুসরণ করতে থাকে। বাসার সিঁড়ি দিয়ে ওঠার সময় ওই ব্যক্তি তার পথরোধ করে মোবাইল নম্বর চান।
শ্লীলতাহানির শিকার ওই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী আরও বলেন, ‘আমি নম্বর দিতে অস্বীকৃতি জানালে সে নিজেকে সিফাত নামে পরিচয় দেয়। এরপর আমি সিঁড়ি বেয়ে ওপরে উঠতে থাকলে সে পেছন থেকে আমার হাত ধরে এবং প্রতিবাদ করলে আমার শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেয়। আমি চিৎকার শুরু করলে সে দ্রুত স্থান ত্যাগ করে পালিয়ে যায়। ঘটনাটি ভবনের সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়েছে, যা পুলিশকে সরবরাহ করা হয়েছে।’
অনুজীববিজ্ঞান বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ভুক্তভোগী নারী শিক্ষার্থী জানান, “গতকাল সন্ধ্যাবেলায় ধুপখোলা মাঠের পাশে টিউশনি করাতে যাই। সেখানে রাত ৭টা ৫২ মিনিটের দিকে সিফাত আমাকে দোতলায় আটকায় এবং নাম্বার চায়। আমি নাম্বার দিতে অস্বীকৃতি জানালে সে চতুর্থ তলায় আমাকে হেনস্তা করে। আমি এর উপযুক্ত বিচার চাই। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসন যেন আইনানুগ ব্যবস্থা নেয় এবং ভবিষ্যতে যেন এমন ঘটনার সম্মুখীন না হই, সে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক।”
গেন্ডারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গোলাম মর্তুজা বলেন, “শিক্ষার্থীরা সোপর্দ করার পর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে কাস্টডিতে নেওয়া হয়েছে। মামলার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। বাদী ও সাক্ষীদের কাছ থেকে লিখিত নিলেই মামলা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবো। মামলা শেষে তাকে কোর্টে হস্তান্তর করা হবে।”
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ শরীফ। নির্বাহী সম্পাদক : তাসেরা তাজরীন। বার্তা সম্পাদক : মোহাম্মদ আমান উল্যা।সম্পাদক ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: এমএস প্লাজা (৩য় তলা)২৭/সি/২ টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০।
তুহিন
প্রেস ২১৯/২, ফকিরাপুল (১ম গলি), মতিঝিল হতে মুদ্রিত। ফোন:
+৮৮-০২-৪১০৫২৪৯৪, মোবাইল: ০১৯৭১-৮৪২৩৬৫, ০১৭১১৮৪২৩৬৫, বার্তা: ০১৭৩১-৮৫৭১৮৬
,anantabanglanews24@gmail.com
Copyright © 2026 দৈনিক অনন্ত বাংলা. All rights reserved.