প্রিন্ট এর তারিখঃ অক্টোবর ২, ২০২৬, ৮:২১ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৫, ৪:২৪ অপরাহ্ণ
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মানবিক কর্মকাণ্ডে প্রশংসিত, সাফল্যের এক বছর পূর্ণ

নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইমদাদুল হক তালুকদার। তিনি একজন মানবিক মানুষ হিসেবে কেন্দুয়া উপজেলায় পরিচিতি লাভ করেছেন। তিনি বিভিন্ন সময় হতদরিদ্র-অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিকতার পরিচয় দিয়েছেন বহুবার। তিনি কেন্দুয়া উপজেলায় যোগদানের আগে দেশের বিভিন্ন স্থানে সফলতার সাথে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। খুশি করার জন্য বাড়িয়ে বলা নয়।যা কেন্দুয়া উপজেলার সকল শ্রেনী পেশার মানুষের মুখে মুখে ফিরছে,সেই কথা গুলোই একত্রিত করে পাঠকের সামনে তোলে ধরার চেষ্টা করেছি। জামালপুর জেলার কৃতী সন্তান ইমদাদুল হক তালুকদার লোকজ সংস্কৃতির চারণভুমি কেন্দুয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে যোগদানের আগেই এই এলাকার সাহিত্য সংস্কৃতি,রাজনৈতিক ইতিহাস, ঐতিহ্য,কষ্টি কালচার সম্পর্কে একটা সম্যক ধারনা নিয়েই এই জনপথে আগমন। সেদিন তিনি বলেছিলেন,আমি নিষ্ঠারসাথে দায়িত্ব পালন করতে এসেছি।যদি আপনারা কেন্দুয়াবাসী আন্তরিক সহযোগিতা করেন,তবে এগিয়ে যাবো। আলোচনায় আছে, যেখানেই হাত দেন,সেখানেই সোনা ফলে।যোগদানের কিছুদিন পর উপজেলা প্রশাসরের আয়োজনে মরনোত্তর একুশে পদকপ্রাপ্ত বাউল সাধক জালাল উদ্দিন খাঁর ১৩০ তম জন্মদিন উপলক্ষে তিনদিন ব্যাপি জালাল মেলা সমন্ন করেছেন। এই জালাল মেলার মাধ্যমে বাউল, শিল্পী, সংস্কৃতিকর্মী, সাহিত্যপ্রেমী, সহ সকল শ্রেনী পেশার মানুষের মধ্যে যে মেলা বন্ধন সুচিত হয়েছে তা গরবিনী কেন্দুয়ার ইতিহাসে সাফল্যের নতুন পালক যুক্ত হয়েছে।
জানা যায় কিছুদিন আগে নওপাড়া ইউনিয়নের জুড়াইল গ্রামবাসীর মাঝে একটি বিলের দখল নিয়ে বিরোধের অবসান ঘটেছে।অথচ প্রতিবছর এই বিলের ঘটনা নিয়ে ধাওয়া,পাল্টা ধাওয়া,সংঘর্ষ লেগেই থাকতো।কিন্তু ইউএনও ইমদাদুল হক তালুকদারের নেতৃত্বে সেই সমস্যার সমাধান হয়ে জনমনে শান্তি ফিরে এসেছে। কেন্দুয়ায় সাদ ও জুবায়ের পন্থীদের মধ্যে আর্দশগত বিষয় নিয়ে যে টান টান উত্তেজনা চলছিল,তা দুপক্ষের নেতৃবৃন্দের সাথে আলোচনা করে শান্তির পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়েছে।এতে আন্তরিক সহয়োগিতা করছেন স্থানীয় গন্যসান্য ব্যাক্তিবর্গ। এই বিষয়টি অত্যন্ত বিচক্ষনতার সাথে উভয় পক্ষকে সম্মান জানিয়ে যেভাবে সমাধান করা হয়েছে তা সারাদেশে উদাহরন দেওয়ার মতো একটি নজির। ৫ আগষ্টের পর বাশাটী উচ্চবিদ্যালয় সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্রদের নাম করে বহিরাগত ছাত্ররা যে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টির পায়তারা চালাচ্ছিল,তিনি সেইসব পরিস্থিতি দক্ষতার সাথে কঠোরভাবে মোকাবেলা করেছেন।যেজন্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমুহে মোটামুটি শান্তির পরিবেশ বজায় রয়েছে।জানা যায় ইমদাদুল হক তালুকদার তাঁর চিন্তা,চেতনা,মেধা,মননের মাধ্যমে সামগ্রীক কেন্দুয়ার শত সমস্যার সমাধান করেছেন, যা সমগ্র কেন্দুয়াবাসীর হৃদয়ে চিরজাগরুক হয়ে থাকবে। আর এসব সমস্যার সমাধান কল্পেই এক বছরে সাফল্যের ঝুড়িতে উপচেপরা ফল সংগ্রহ করেছেন।
আরো জানা যায় এ উপজেলায় যোগদানের পর থেকে পাল্টে গেছে অনেক দৃশ্যপট। বর্তমান সরকারের উন্নয়নের ধারাকে বাস্তবায়ন করার লক্ষ্যে মাঠ পর্যায়ে নিরলসভাবে নিয়োজিত আছেন তিনি। সার্বক্ষণিক সেবামূলক কাজ করে মানবিক ইউএনও হিসেবে উপজেলাবাসীর নিকট পরিচিতি লাভ করতে সক্ষম হন। উপজেলা নিবার্হী অফিসারের কার্যালয়ে প্রবেশ করতে লাগে না কোনো অনুমতি। ইচ্ছা করলে যে কেউ তার অফিসে বিনা-অনুমতিতে প্রবেশ করতে পারেন। জানা গেছে, এমদাদুল হক তালুকদার এ উপজেলায় যোগদানের পর উপজেলায় ঘটেছে ব্যাপক পরিবর্তন। দ্রব্যমূল্য ঊর্ধ্বগতি কারণে বাজার মনিটরিং কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। উপজেলায় অবৈধভাবে বালু মজুদ রাখা, অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, ইভতিজিং, মাদক,খাবার হোটেল, নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল, নিষিদ্ধ চায়না দুয়ার, রেজিস্ট্রেশন বিহীন মোটরসাইকেল, লোকাল ট্রাক চলাচল, অবৈধ ইটভাটায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন; অবৈধ বালু ব্যবসা বন্ধ করার জন্য তাঁর রয়েছে বিশেষ নজরদারি। রাস্তাঘাট নির্মাণ। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার প্রশংসা করে অনেকেই বলেন, শত বছর বেঁচে থাকুক মানবিকতার এমন মহৎ মানুষটি। কেন্দুয়ায় দরিদ্র শিক্ষার্থীদেরকে বিদ্যালয়ে ভর্তি ও লেখাপড়া খরচ বাবদ দিয়েছেন হাজার হাজার টাকা। এমন দৃষ্ঠান্ত রয়েছে অনেক। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইমদাদুল হক তালুকদার বলেন, বর্তমান সরকারের উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখতে আমি প্রচেষ্ঠা করে যাচ্ছি মাত্র। আমি এই উপজেলার সকল শ্রেণী পেশার মানুষের সহযোগিতা চাই।
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ শরীফ। নির্বাহী সম্পাদক : তাসেরা তাজরীন। বার্তা সম্পাদক : মোহাম্মদ আমান উল্যা।সম্পাদক ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: এমএস প্লাজা (৩য় তলা)২৭/সি/২ টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০।
তুহিন
প্রেস ২১৯/২, ফকিরাপুল (১ম গলি), মতিঝিল হতে মুদ্রিত। ফোন:
+৮৮-০২-৪১০৫২৪৯৪, মোবাইল: ০১৯৭১-৮৪২৩৬৫, ০১৭১১৮৪২৩৬৫, বার্তা: ০১৭৩১-৮৫৭১৮৬
,anantabanglanews24@gmail.com
Copyright © 2026 দৈনিক অনন্ত বাংলা. All rights reserved.